ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

ডায়ানার পদাঙ্ক অনুসরণ করলেন প্রিন্স হ্যারি

ডায়ানার পদাঙ্ক অনুসরণ করলেন প্রিন্স হ্যারি
×

১৯৯৭ সালে অ্যাঙ্গোলার মাইনফিল্ডে হাঁটতে দেখা গিয়েছিল প্রিন্সেস ডায়ানাকে, মায়ের পদাঙ্ক অনুসরণ করে একইভাবে হেঁটে বিশ্ববাসীর সামনে প্রিন্স হ্যারি তুলে ধরলেন যুদ্ধ-পরবর্তী ভয়াবহতার কথা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৫ | ১২:৫৬ | আপডেট: ১৮ জুলাই ২০২৫ | ১২:৫৯

আর্তমানবতার ডাকে সাড়া দিয়ে আফ্রিকার দেশ অ্যাঙ্গোলায় ছুটে গিয়েছিলেন ব্রিটিশ রাজবধূ প্রিন্সেস ডায়ানা। যুদ্ধের ভয়াবহতা নিয়ে মানুষকে সচেতন করতে অ্যাঙ্গোলার মাইনফিল্ডে হেঁটেছিলেন তিনি। এবার মায়ের পদাঙ্ক অনুসরণ করলেন প্রিন্স হ্যারি। অ্যাঙ্গোলারই মাইনফিল্ডে হেঁটে আবারও বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরলেন যুদ্ধ-পরবর্তী ভয়াবহতার কথা।

১৯৯৭ সালে ঠিক এভাবেই অ্যাঙ্গোলার মাইনফিল্ডে হাঁটতে দেখা গিয়েছিল প্রিন্সেস ডায়ানাকে। সেদিন তাঁর সেই সাহসী পদক্ষেপের ছবি ছড়িয়ে পড়েছিল বিশ্বজুড়ে। ডায়ানার সেই পদক্ষেপে মানুষ বুঝতে পেরেছিল, যুদ্ধ শেষ হলেও সাধারণ মানুষের ওপর তার প্রভাব রয়ে যায় যুগ যুগ। ডায়ানার সেই প্রচারণার ২৭ বছর পর ঠিক একইভাবে হ্যালো ট্রাস্টের সঙ্গে মাইন অপসারণ কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছেন প্রিন্স হ্যারি। হ্যারি বলেন, ‘শিশুদের যেন আর কখনও ভয়ে ভয়ে খেলতে না হয় কিংবা স্কুলে যেতে আতঙ্কিত না হতে হয়। প্রতিটি মানুষের নিরাপদ জীবনের অধিকার রয়েছে।’

অ্যাঙ্গোলার মাটিতে এখনও প্রায় এক হাজার মাইনফিল্ড অবশিষ্ট রয়েছে। ২০০৮ সাল থেকে এসব মাইন বিস্ফোরণে ৬০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত বা আহত হয়েছেন। হ্যালো ট্রাস্ট এখন পর্যন্ত এক লাখ ২০ হাজার মাইন সরিয়েছে। 

প্রিন্সেস ডায়ানার ১৯৯৭ সালের সেই বিখ্যাত মাইনফিল্ড এখন সম্পূর্ণ মাইনমুক্ত। সেখানে গড়ে উঠেছে নতুন বসতি। রয়েছে শিশুদের জন্য একটি স্কুল, যার নাম ‘প্রিন্সেস ডায়ানা স্কুল’। প্রিন্স হ্যারির এই সফর শুধু মায়ের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নয়, বরং যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষের পাশে থাকার এক অনন্য বার্তা। তিনি বলেছেন, ‘শেষ মাইনটি না সরানো পর্যন্ত আমাদের কাজ শেষ হবে না।’

 

 

আরও পড়ুন

×