ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সমকাল এক্সপ্লেইনার

বিহারের নির্বাচন ভারতের রাজনীতিতে কেন এত গুরুত্বপূর্ণ

বিহারের নির্বাচন ভারতের রাজনীতিতে কেন এত গুরুত্বপূর্ণ
×

ভোট দেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়েছেন বিহারের নারীরা। ছবি: ভারতের নির্বাচন কমিশনের সৌজন্যে

মো. মাহমুদুল হাসান

প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২৫ | ১৭:৫৬ | আপডেট: ০৮ নভেম্বর ২০২৫ | ১৫:২৪

বিহার ভারতের তৃতীয় জনবহুল রাজ্য। এটি ভারতের সবচেয়ে দরিদ্র রাজ্য। এ রাজ্যে ৭ কোটি ৪০ লাখের বেশি ভোটার। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজ্যটিতে প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচন বিজেপির সরকারগঠনের ১৭ মাস পর এমন সময় অনুষ্ঠিত হচ্ছে; যখন মোদির জনপ্রিয়তা কমতির দিকে। এর ফলাফল শুধু বিহারের ভবিষ্যৎ সরকারগঠন নয়; ভারতের পরবর্তী রাজ্যগুলোর নির্বাচনের গতি-প্রকৃতি নির্ধারণ করবে। ফলে রাজ্যটির নির্বাচন ভারতের রাজনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে এ নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে? কারণ ইতিহাস বলছে, বিহারে রাজনৈতিক হাওয়া যে দিকে বয়, তার প্রতিধ্বনি দিল্লিতে শোনা যায়।

গতকাল বিহারের প্রায় অর্ধেক আসনে ভোটগ্রহণ হয়েছে। আগামী ১১ নভেম্বর রাজ্যটিতে অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন। ভোট গণনা হবে ১৪ নভেম্বর। এদিন ফল প্রকাশ করা হতে পারে।

প্রথম ধাপে কোন কোন আসনে ভোটগ্রহণ হয়

বিহার রাজ্যে ২৪৩টি বিধানসভার আসন রয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ১২১টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে কিছু আসন প্রান্তিক সম্প্রদায়ের সদস্যদের জন্য নির্ধারিত। বিহারের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট। বিধানসভা এর নিম্নকক্ষ। ২০২০ সালের নভেম্বরে বিধানসভার সবশেষ নিবাচন হয়েছিল।

কত শতাংশ ভোট পড়ে

স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের তথ্যমতে, বিহারে দুপুর ১টা পর্যন্ত ৪২ দশমিক ৩০ শতাংশ ভোট পড়ে। তবে ২০২০ সালে চূড়ান্ত ভোটদানের হার ছিল ৫৭ শতাংশ।
ভারতের নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রথম ধাপে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোট পড়েছে ৬৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ। রাজ্যটিতে এমন ভোট এর আগে পড়েনি, এটি রেকর্ড। তবে ১৯৯৮ সালে পড়েছিল ৬৪ দশমিক ৬০ শতাংশ।

নির্বাচন কমিশন বলছে, বিহার রাজ্যের ১৮টি জেলার ১২১টি বিধানসভা আসন ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪৫ হাজার ৩৪১টি ভোটকেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। যেখানে মোট ভোটার ছিল ৩ কোটি ৭৫ লাখেরও বেশি।

বিহারে নির্বাচনে দক্ষিণ আফ্রিকা, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, বেলজিয়াম ও কলম্বিয়ার ১৬ জন পর্যবেক্ষক কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। তারা এই নির্বাচনকে আন্তর্জাতিকভাবে সবচেয়ে সুসংগঠিত, স্বচ্ছ, দক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের একটি হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কারা

বিহারের নির্বাচনে জোট গঠন করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। আঞ্চলিক জনতা দল ইউনাইটেডের (জেডিইউ) সঙ্গে জোট গঠন করে তারা। জেডিইউ’র নেতৃত্বে আছেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। তিনি গত ২০ বছরের বেশিরভাগ সময় ধরে বিহার শাসন করেছেন।

বিপরীতে রয়েছেন আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি)। এর সঙ্গে জোটে রয়েছে কংগ্রেস ও ছোট দলগুলো। আরজেডি’র নেতৃত্বে রয়েছেন সাবেক রেলমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদব, যিনি দুর্নীতির মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর জামিনে রয়েছেন। বর্তমানে আরজেডির দায়িত্বে রয়েছেন তার ছেলে তেজস্বী যাদব। 

এ নির্বাচনে অংশ নিয়েছে প্রশান্ত কিশোরের নতুন দল জন সুরাজও। রাজনৈতিক কৌশলবিদ থেকে রাজনীতিবিদে পরিণত কিশোরের দল জন সুরাজ এর আগে বিজেপি ও কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করেছিল।

নির্বাচনের প্রথম ধাপে রাঘোপুর আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন আরজেডির নেতা তেজস্বী, ২০১৫  ও ২০২০ সালে এই আসন থেকে জয় পান তিনি। এই আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির সতীশ কুমার ও জন সুরাজ পার্টির চঞ্চল সিং। তেজস্বীর বাবা লালু প্রসাদও দুবার রাঘোপুর আসন থেকে জয়ী হন। তার মা রাবড়ি দেবীও তিনবার জয় পান এখান থেকে।

তারাপুর আসনে বিজেপি প্রার্থী ও উপ-মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আলিনগর আসন থেকে বিজেপির টিকিটে লোকশিল্পী মৈথিলী ঠাকুর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। 

এবারের নির্বাচনে প্রধান বিষয়গুলো কী

ভারত সরকারের থিঙ্ক ট্যাঙ্ক নীতি আয়োগের প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুসারে, মূলত কৃষিপ্রধান রাজ্য বিহার। এর অর্থনীতি প্রতিযোগিতাপূর্ণ। ভারতের এই রাজ্যে দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি।

বিহারের কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে প্রধান দুটি জোট। বিজেপি-জেডিইউ জোট ও আরজেডি-কংগ্রেস জোট প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তারা বিহারের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

বিহারে ভোটারদের প্রায় অর্ধেক নারী। এসব নারী ভোটারদের কাছে ভোট চাচ্ছে জোট দুটি। লক্ষ্য করা গেছে, রাজ্যটিতে নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নারী ভোটারদের ভোটদানের হার পুরুষদের চেয়ে একটু বেশি।

কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট নারীদের জন্য মাসিক ভাতার মতো কল্যাণমূলক প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকেও নারীদের কর্মসংস্থান প্রকল্পও বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে। গত সেপ্টেম্বরে ৭৫ লাখ নারীর মধ্যে প্রায় ৮৮০ মিলিয়ন ডলার বিতরণ করা হয়েছে, যাতে তারা ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এসব পদক্ষেপ ভোটে প্রভাব পড়তে পারে।

এই নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ

বিহারের নির্বাচন নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। তিনি ২০২৪ সালের জুনের নির্বাচনে তৃতীয় মেয়াদে জয়লাভ করেছিলেন। বিজেপি গত নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে সরকার গঠনের জন্য জেডিইউসহ আঞ্চলিক মিত্রদের ওপর নির্ভরশীল হন মোদি।

বিজেপি গত বছরের জাতীয় নির্বাচনের পর থেকে বেশিরভাগ রাজ্যে জয়লাভ করেছে, বিহারেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করবে। এই রাজ্য থেকে ভারতীয় সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভায় ৪০ জন সদস্য নির্বাচিত হবেন। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি জয়ী হয় ১২ আসনে, আর জেডিইউ জয় পায় ১২টি আসনে। বিজেপি জোটের লোক জনশক্তি পার্টি (এলজেপি) আরও পাঁচটি আসন জিতে।

কিন্তু বিহারে আরজেডিও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। গত দুই নির্বাচনে অর্থাৎ ২০১৫ ও ২০২৫ সালের নির্বাচনে আরজেডি একক বৃহত্তম দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল।

২০২০ সালে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে আরজেডি। ওই নির্বাচনে ৩৭ শতাংশ ভোট পেয়ে কঠোর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তারা।

বিহারের এবারের নির্বাচন এ কারণেও গুরুত্বপূর্ণ যে, ৭৪ বছর বয়সী নীতীশ কুমার ও ৭৭ বছর বয়সী লালু প্রসাদ যাদবের মধ্যে চূড়ান্ত রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা চিহ্নিত করতে পারে। এই দুই ব্যক্তি প্রায় ৪০ বছর ধরে বিহারের রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তার করে আসছেন। তারা কখনও মিত্র ছিলেন, আবার কখনও কখনও তিক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন।

রাজ্যের ভোটগ্রহণ এমন এক সময়ে হচ্ছে; যখন ভারতের রাজনীতির বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। বিরোধীরা অভিযোগ করছে যে, নির্বাচনে বিজেপিকে সুবিধা দিতে ভোটার তালিকা, নির্বাচন আইন সংশোধন করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন।

বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের পর এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে, ফলে প্রকৃত ভোটাররা বাদ পড়ছে। এতে নরেন্দ্র মোদির বিজেপি এগিয়ে যাবে। যদিও বিজেপি ও নির্বাচন কমিশন এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

গত কয়েক মাস আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) করা হয়েছে, এবং সব ভোটারকে ভারতীয় নাগরিক ও তারা যে নির্বাচনী এলাকায় ভোট দিচ্ছেন- সেই এলাকার বৈধ বাসিন্দা তা প্রমাণ করার জন্য কিছু নথিপত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল।

জুলাই মাসে আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ভারতের সবচেয়ে দরিদ্র রাজ্য বিহার। দারিদ্রতার কারণে নির্বাচন কমিশন যেসব নথিপত্র জমা চেয়েছিল; তাদের কাছে তার কিছুই ছিল না। প্রথম ধাপের নির্বাচনে ভোট দিতে লাইনে দাঁড়িয়েছেন বিহারের ভোটাররা। ছবি: বিবিসি

উদাহরণ হিসেবে বলা হয়, বিহারে দেশের সর্বনিম্ন সাক্ষরতার হার। এর ফলে রাজ্যের অনেক লোকের কাছে শিক্ষার সনদ নেই, যা পরিচয়ের প্রমাণ হিসেবে কাজ করে এমন নথি।

ভারতের মধ্যে জন্ম নিবন্ধনের হারও বিহারে সবচেয়ে কম। তাই নির্বাচন কমিশন অনুসারে, লাখ লাখ মানুষের জন্ম সনদ নেই, যা আরেকটি বৈধ নথি। কিন্তু এসব নথির কোনটাই বিহারের নাগরিকদের নেই।

সুবিধাবঞ্চিত জাতি বা মুসলিমদের মতো দরিদ্রতম, দুর্বল সম্প্রদায়ের মানুষরা ঐতিহাসিকভাবে আরজেডি-কংগ্রেস জোটকে বেশি ভোট দিয়েছেন।

গত সেপ্টেম্বরে ভারতের নির্বাচন কমিশন ৪ কোটি ৭০ লাখ মানুষকে বাদ দিয়ে ৭ কোটি ৪০ লাখ ভোটারের একটি তালিকা প্রকাশ করে। সীমাঞ্চলের ভোটারদের বাদ দেওয়ার হার সবচেয়ে বেশি, যেখানে মুসলিম জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

এমন ঘটনা নরেন্দ্র মোদির প্রচারণার সময়েও ঘটেছিল। সীমাঞ্চলকে অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের ঘাঁটি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল, যদিও এসব তথ্য দাবিগুলোকে সমর্থন করে না।

সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করেছে, বিহারের মতো করে পুরো ভারতে ভোটার তালিকা সংশোধন করা হবে।

বিশ্লেষকরা কী বলছেন

বিশ্লেষকরা বলছেন, এবারের নির্বাচনে নারী ভোটাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। কারণ, ভোটারদের প্রায় অর্ধেকই নারী এবং তাদের ভোট দেওয়ার হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক সন্তোষ সিং বিবিসিকে বলেন, বিহারের নির্বাচনে নারী ভোটাররা বেশি ভোট দেবেন। ফলে রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন কল্যাণমূলক প্রকল্পের মাধ্যমে তাদেরকে লক্ষ্যবস্তু করার চেষ্টা করছে।

এ সপ্তাহের শুরুতে ৪০ বছর বয়সী কুশবু দেবীর সঙ্গে কথা বলে বিবিসি, যিনি মাসাউরি গ্রামে তার স্থানীয় প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি সবাইকে ভোটকেন্দ্রে আসতে উৎসাহিত করছি। তবে নারীদেরকে বিশেষভাবে বলছি। কারণ, বিহারে যে কেন্দ্রেই বেশি ভোট পড়ে, সেখানে সাধারণত নারীরাই বেশি উপস্থিত হন।’

দ্য হিন্দু জানিয়েছে, প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ গতকাল অনুষ্ঠিত হয়। আজ শুক্রবার এনডিএ ও বিরোধী বেশ কয়েকজন সিনিয়র নেতা বিহার রাজ্যে একাধিক সমাবেশ করেন। এখন সীমাঞ্চল, মগধ, শাহাবাদ ও চম্পারণ অঞ্চলে তারা সমাবেশ করবেন। 

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিহারের আওরঙ্গাবাদ ও ভাভুয়ায় জনসভায় ভাষণ দেবেন বলে জানা গেছে। আরজেডির তেজস্বী যাদব ও বিরোধী জোটের কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও রাজ্যজুড়ে একাধিক জনসভা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বরে সাড়ে সাত কোটি নারীদের প্রত্যককে ১০ হাজার রোপী করে দেন নরেন্দ্র মোদির সরকার। একটি কর্মসংস্থান কর্মসূচির অংশ হিসেবে তাদেরকে এ অর্থ দেওয়া হয়।

সমাজবিজ্ঞানী ও অর্থনীতিবিদ এবং মুম্বাইয়ের টাটা ইনস্টিটিউট অফ সোশ্যাল সায়েন্সেসের সাবেক অধ্যাপক পুষ্পেন্দ্র কুমার বলেছেন, বিহারের রাজ্য নির্বাচন তার বৈপরীত্যকে তুলে ধরেছে। রাজ্যটির বেশিরভাগ মানুষ দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করছে। যদিও ক্ষমতাসীন জোট দাবি করছে যে, তারা বিহারকে উন্নয়নের পথে নিয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, রাজ্যসরকার কল্যাণমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। কিন্তু, ভূমিহীনতা, কম মজুরি ও সীমিত কর্মসংস্থানের সুযোগের মতো দারিদ্রের অন্তর্নিহিত কারণগুলো মোকাবিলা করার খুব কমই চেষ্টা করেছে। তবে এবারের নির্বাচনে কী হবে সেটি বলা যাচ্ছে না।

 সূত্র: আল জাজিরা, বিবিসি, এবিসি নিউজ ও দ্য হিন্দু

আরও পড়ুন

×