মামদানি থাকবেন ঐতিহাসিক গ্রেসি ম্যানশনে
নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ | ১৩:৪১
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি ম্যানহাটানের ঐতিহাসিক গ্রেসি ম্যানশনেই বসবাস করবেন, যেখানে তাঁর পূর্বসূরিরা থেকেছেন। তিনি ছেড়ে যাচ্ছেন ভাড়ার অ্যাপার্টমেন্টটি, যা তাঁর প্রচার অভিযানের সময় তীব্র বিতর্কের বিষয় হয়ে উঠেছিল।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ১৭৯৯ সালে নির্মিত গ্রেসি ম্যানশন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে অধিকাংশ নিউইয়র্ক সিটি মেয়রের সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। মামদানি ১ জানুয়ারি শপথ নেবেন। এর কাছাকাছি কোনো সময়ে গ্রেসি ম্যানশনে উঠবেন তিনি। গত সোমবার এক বিবৃতিতে মামদানি বলেন, এই সিদ্ধান্ত মূলত আমাদের পরিবারের নিরাপত্তা ও নিউইয়র্কবাসী যে সাশ্রয়ী আবাসনের এজেন্ডায় ভোট দিয়েছে, তা বাস্তবায়নে আমার সম্পূর্ণ মনোযোগ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর ভিত্তি করে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু মামদানির কাছে সাশ্রয়ী আবাসন ছিল কেন্দ্রীয় ইস্যু, নভেম্বরের বিজয়ের পরপরই তিনি সেখানে থাকবেন কিনা, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করেননি।
বিবৃতিতে মামদানি আরও বলেন, অ্যাস্টোরিয়া: আমাদের নিউইয়র্ক সিটির সেরা রূপটি দেখানোর জন্য ধন্যবাদ। যদিও আমি আর অ্যাস্টোরিয়ায় থাকব না, অ্যাস্টোরিয়া সবসময় আমার ভেতরে এবং আমার কাজের মধ্যে বেঁচে থাকবে– তিনি বলেন।
প্রচারণায় মামদানির মূল প্রতিশ্রুতি ছিল, ভাড়া না বাড়ানো। এর সঙ্গে তিনি যুক্ত করেছিলেন তাঁর নিজের আবাসন পরিস্থিতিকে। কিন্তু তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীরা, বিশেষ করে নিউইয়র্কের সাবেক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুওমো সমালোচনা করে বলেছিলেন, সেটা ছিল এক অ্যাপার্টমেন্ট দখল করে রাখার জন্য। যদিও মামদানি একটি বিখ্যাত পরিবারের সন্তান। তাঁর মা চলচ্চিত্র নির্মাতা মীরা নায়ার এবং বাবা মাহমুদ মামদানি কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।
হালকা মাখন-হলুদ রং, সবুজ শাটার এবং সাদা রেলিংসহ গ্রেসি ম্যানশন পূর্ব নদীর দিকে মুখ– দেখতে যেন বিয়ের কেকের মতো একটি বাড়ি। ভেতরে ফেডারেল স্টাইলের ম্যানশনের নিচতলা সাজানো হয়েছে বাড়িটির মূল সময়কার নকশার ভাব ধরে রেখে। এই কম্পাউন্ডে পাঁচটি শোবার ঘর রয়েছে বলে জানা যায়। মেয়র ও তাঁর পরিবারের নিরাপত্তার জন্য বাড়তি সুরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। কিছু বাসিন্দার দাবি, গ্রেসি ম্যানশনে অতিপ্রাকৃত বাসিন্দাও আছে।
- বিষয় :
- যুক্তরাষ্ট্র
- নিউইয়র্ক
- জোহরান মামদানি
