ইরান থেকে গোপনে জেট ফুয়েল আমদানি করেছে মিয়ানমার: নিক্কেই এশিয়া
নিক্কেই এশিয়ার প্রতিবেদন। স্ক্রিনশট
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ মার্চ ২০২৬ | ১৯:০৬ | আপডেট: ০৯ মার্চ ২০২৬ | ১৯:০৮
জাপানের গণমাধ্যম নিক্কেই এশিয়া তাদের এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, মিয়ানমার গোপনে ইরান থেকে জেট ফুয়েল আমদানি করেছে। সংঘাত শুরুর আগে গত ডিসেম্বরের পর এই জ্বালানি আমদানি করা হয়। যা আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার লঙ্ঘন।
গণমাধ্যমটির প্রতিবেদনে জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র, বন্দরের নথি ও বিশ্লেষকের বরাত দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কবে, কীভাবে আমদানি করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে কোন নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘিত হয়েছে তা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। বলা হয়েছে, তিনটি চালানের সবশেষটি পৌঁছায় ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে। এই জ্বালানি খালাস করা হয় ইয়াঙ্গুনের কাছে থিলাওয়া বন্দরের মায়ান অয়েল টার্মিনালে। এটি মূলত জেট ফুয়েল বা বিমান চলাচলের জ্বালানি মজুত রাখার একটি স্থাপনা।
বন্দরের নথির বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এমভি রিফ নামের জাহাজটি তাদের কার্গোর উৎস হিসেবে ইরাকের নাম ব্যবহার করে জালিয়াতি করেছিল। ওই চালানে কী পরিমাণ ফুয়েল ছিল সে তথ্যের পাশাপাশি এমভি রিফ কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্যও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর কাছে কার্যক্রম চালানোর জন্য ১২০ থেকে ১৫০ দিনের জ্বালানি সরবরাহ আছে। তবে চলমান সংঘাতের কারণে জ্বালানির দাম উর্ধ্বমুখী থাকায় শাসকরা এখন অন্য উৎস খুঁজতে বাধ্য হবে। অস্ট্রেলীয় অর্থনীতিবিদ এবং অং সান সু চির সাবেক উপদেষ্টা শন টার্নেল নিক্কেইকে বলেছেন, মিয়ানমারে ইরানের এই জ্বালানি সরবরাহের বিষয়ে শুরুতে তিনি সন্দিহান ছিলেন। কিন্তু পরে সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছেন।
নিক্কেইয়ের প্রতিবেদনে ইরান কিংবা মিয়ানমারের দায়িত্বশীল কারও মন্তব্য জানতে চাওয়ার বিষয়েও তথ্য উল্লেখ নেই।
