ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

নাকবা দিবসে ইসরায়েলের হামলায় গাজায় নিহত ৭

নাকবা দিবসে ইসরায়েলের হামলায় গাজায় নিহত ৭
×

ছবি: সংগৃহীত

সমকাল ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ মে ২০২৬ | ১৩:০১

নাকবা দিবসে গাজা সিটিতে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। হামাসের সামরিক শাখার গাজা প্রধান ইজ্জ আল-দীন আল-হাদ্দাদকে লক্ষ্য করে এই হামলা হয়েছিল দাবি করলেও এতে সাত ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

আনাদোলু সংবাদ সংস্থার বরাতে জানা যায়, গত শুক্রবারের এই হামলায় নিহত বেসামরিকদের মধ্যে তিন নারী ও এক শিশু রয়েছে। একটি বেসামরিক গাড়িতে হামলায় তিনজন নিহত হন এবং গাজা সিটির পশ্চিমাঞ্চলের রিমাল এলাকায় একটি ভবনে হামলায় আরও চারজন নিহত হন। অন্তত ৪৫ জন আহত হয়েছেন, যাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

তবে যৌথ বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেন, ৭ অক্টোবরের হামলার ‘পরিকল্পনাকারীদের একজনকে’ লক্ষ্যবস্তু করেছিলেন তারা। তবে হাদ্দাদ নিহত হয়েছেন কিনা, সে বিষয়ে তারা কিছু জানাননি।

গাজা সিটিতে একটি আবাসিক ভবন ও একটি বেসামরিক গাড়িতে দুটি বিমান হামলা করেছে ইসরায়েল। মাঠের প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে গাজায় অবস্থানরত আল-জাজিরা বলছে, হামলায় অন্তত চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।

ইসরায়েলের এই হামলা হয়েছে নাকবার ৭৮তম বার্ষিকীতে। ১৯৪৮ সালে ১৫ মে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠার সময় প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার ফিলিস্তিনিকে তাদের ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছিল; সেই ঘটনাকে স্মরণ করেই নাকবা দিবস পালন করা হয়। 

পার্ক বানাতে ঘর ভাঙতে নির্দেশ ফিলিস্তিনে আল-আকসা মসজিদের ছায়ায় অবস্থিত আল-বুস্তান এলাকায় নিজেদের পারিবারিক ঘর নিজেরাই ভেঙে ফেলছেন ফিলিস্তিনিরা। দ্য গার্ডিয়ান জানায়, পূর্ব জেরুজালেমের বৃহত্তর সিলওয়ান এলাকার অংশ আল-বুস্তানে গত দুই বছরে ৫৭টিরও বেশি বাড়ি ভেঙে ফেলা হয়েছে। আগামী কয়েক সপ্তাহে আরও অন্তত আটটি বাড়ি ভাঙার তালিকায় রয়েছে। সেই জায়গায় ‘কিংস গার্ডেন’ নামে একটি থিম পার্ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

জেরুজালেমের পক্ষে কাজ করা ইর আমিম সংগঠনের আভিভ তাতারস্কি বলেন, ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের সবকিছুকেই মুছে ফেলছে; তারপর এসব এক ধরনের ‘ডিজনিল্যান্ডসুলভ গল্প’ দিয়ে ঢেকে দিচ্ছে। ইসরায়েল পরিচালিত জেরুজালেম পৌরসভা তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে বলছে, আল-বুস্তানের বাড়িগুলো ‘অবৈধভাবে নির্মিত’।

ফিলিস্তিনের করের টাকায় গাজা উন্নয়ন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের (পিএ) করের অর্থ চেয়ে ইসরায়েলকে অনুরোধ করার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানানো না হলেও, ইসরায়েলের সঙ্গে মার্কিন প্রশাসনের আলোচনার এই বিষয়ে অবগত কয়েকটি সূত্র তাই জানাচ্ছে। করের অর্থের একটি অংশ গাজার মার্কিন-সমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকারকে দেওয়া হবে। আর সংস্কার করার শর্তে বাকি তহবিল পাবে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ (পিএ)।

ইসরায়েলের কাছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রায় ৫০০ কোটি ডলারের কর আটকে আছে। 

আরও পড়ুন

×