কিউবার সম্ভাব্য ড্রোন হামলা নিয়ে উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্র: অ্যাক্সিওস
কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-কানেল ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: এএফপি
এএফপি
প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৬ | ১৩:০৪ | আপডেট: ১৮ মে ২০২৬ | ১৩:০৭
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য আগ্রাসনের উদ্বেগের মধ্যে ৩০০টির বেশি সামরিক ড্রোন সংগ্রহ করেছে কিউবা। সেগুলো দিয়ে গুয়ানতানামো বে-তে মার্কিন নৌঘাঁটিতে হামলার পরিকল্পনা চলছে। গোপন গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে এমন তথ্য জানিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওস।
তবে অ্যাক্সিওসের এই প্রতিবেদনটি প্রত্যাখ্যান করেছে হাভানা। উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কার্লোস ফার্নান্দেজ দে কসিও এক্সে লিখেছেন, সামরিক হামলাকে বৈধতা দেওয়ার জন্য কিউবাবিরোধী প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তাঁর দাবি এখানে যুক্তরাষ্ট্রই আক্রমণকারী, কিউবা ভুক্তভোগী।
মার্কিন কর্মকর্তারা অ্যাক্সিওসকে জানিয়েছেন, কিউবা ২০২৩ সাল থেকে রাশিয়া ও ইরান থেকে ড্রোন কিনছে, আরো কেনার চেষ্টা করছে। সম্প্রতি সিআইএর পরিচালক জন র্যাটক্লিফ হাভানা সফর করেছেন। এর কয়েকদিন পর প্রতিবেদনটি প্রকাশ করলো অ্যাক্সিওস।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘গুয়ানতানামো বে নৌঘাঁটির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক জাহাজ এমনকি ফ্লোরিডায় হামলারও পরিকল্পনা চলছে।’ গুয়ানতানামো বে কিউবার ভূখণ্ডেই অবস্থিত। সেখানে মার্কিন নৌঘাঁটির ভেতরে আছে কুখ্যাত গুয়ানতানামো কারাগার। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্য কিউবার নিকটতম প্রতিবেশী।
অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে একজন মার্কিন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বক্তব্য উদ্ধৃত করা হয়েছে। তিনি জানান, যেকোনো যুদ্ধে ড্রোনের ব্যবহার বেড়েছে। এছাড়া, কিউবার রাজধানী হাভানায় ইরানের সামরিক উপদেষ্টাদেরও উপস্থিতি আছে। ফলে বিষয়টি নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন বেশ উদ্বিগ্ন।
১৯৬০-এর দশক থেকে কিউবার কমিউনিস্ট সরকার এবং মার্কিন প্রশাসনের মধ্যে এক ধরনের অচলাবস্থা চলে আসছে। ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে বিপুল সংখ্যক কিউবান অভিবাসী ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালীরা বসবাস করেন। চলতি মাসের শুরুর দিকে ট্রাম্প হুমকি দেন, ফ্লোরিডা থেকে মাত্র ৯০ মাইল দূরে অবস্থিত এই ক্যারিবীয় দ্বীপটিকে যুক্তরাষ্ট্র দ্রুতই নিয়ন্ত্রণে নেবে।
বর্তমানে ওয়াশিংটনের জ্বালানি অবরোধের কারণে কিউবায় ক্রমাগত বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটছে।
- বিষয় :
- কিউবা
- ড্রোন
- সামরিক ঘাঁটি
- যুক্তরাষ্ট্র
