ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

জকসু নির্বাচন 

শিবিরের ভিপি প্রার্থীর স্ত্রীকে ‘হেনস্তা’ করে পুলিশে দেওয়ার অভিযোগ

শিবিরের ভিপি প্রার্থীর স্ত্রীকে ‘হেনস্তা’ করে পুলিশে দেওয়ার অভিযোগ
×

ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলামের স্ত্রী মাহিমা আক্তারকে পুলিশে দেওয়া হয়

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ | ১৩:৩৩ | আপডেট: ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ | ১৪:০১

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলামের স্ত্রী মাহিমা আক্তারকে হেনস্তা ও পরে পুলিশে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে তাকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। মহিমা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৮-১৯  সেশনের শিক্ষার্থী। 

জানা যায়, ক্যাম্পাসের বাইরে অবস্থান করছিলেন ওই শিক্ষার্থী। এ সময় হিজাব ও নিকাব পরিহিত ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে তাকে দেখে তার পরিচয় জানতে চেয়ে নিকাব ও মাস্ক খুলতে বলেন শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। 

এ সময় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি কাজী জিয়াউদ্দীন বাসিত, শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আসাদুজ্জামান আসলাম, বর্তমান সদস্য সচিব সামছুল আরেফিন, জবি শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আসাদুজ্জামান আসলাম ও সেক্রেটারি উপস্থিত ছিলেন। পরে তারা পুলিশের কাভার্ড ভ্যান আটকে সামনে দাঁড়িয়ে পড়েন।

এ সময় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মাহিমা বলেন, ‘আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে অবস্থান করছিলাম তখন ছাত্রদলের ভাইয়েরা এসে আমাকে হেনস্তা করে।  সাথে আমার এক আত্নীয় ছিল, আমরা গেটের বাইরেই অবস্থান করছিলাম। এ সময় আমি হিজাব পরিহিত থাকায় আমাকে হিজাব ও মাক্স খুলতে বলে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ও অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম বলেন, তিনি (মাহিমা) আমার স্ত্রী ও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ১৪ ব্যাচের শিক্ষার্থী। তিনি বাইরে আমাদের প্যানেলের হয়ে কাজ করছিলেন। এ দিন সকাল থেকেই ছাত্রদল গেটের বাইরে ধাক্কাধাক্কি করে। পরে পুলিশের সহায়তায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

তিনি আরও বলেন, তিনি  (মাহিমা) ক্যাম্পাসের বাইরে অবস্থান করার সময় ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা ‘মব’ সৃষ্টি করে। এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিন সমকালকে বলেন, তিনজন নারী নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধি পরিচয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশের চেষ্টা করছিল। আমরা তাদের বাধা দিই। এ সময় ওই নারী শিক্ষার্থী তাদের ছাড়াতে আসলে পুলিশ তাকে আটক করে। তিনি যে শিবিরের ভিপি প্রার্থীর স্ত্রী সে পরিচয় আমরা জানতাম না।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড.  মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, বিষয়টি নজরে আসার পর সমাধান করে দিয়েছি।

আরও পড়ুন

×