ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

আ. লীগ প্রশ্নে এখন যা চলছে, তা দুই বড় দলের ইনসিকিউরিটি: মাহফুজ আলম

আ. লীগ প্রশ্নে এখন যা চলছে, তা দুই বড় দলের ইনসিকিউরিটি: মাহফুজ আলম
×

মাহফুজ আলম

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬ | ২১:৩৩ | আপডেট: ০১ জুন ২০২৬ | ২১:৪৮

আওয়ামী লীগ প্রসঙ্গে এখন যা চলছে—তাকে দুই বড় দলের ‘ইনসিকিউরিটি’ বলে উল্লেখ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। সোমবার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

পোস্টে তিনি লিখেন, ‘লীগ প্রশ্নে এখন যা চলছে, তা হচ্ছে দুই বড় দলের ইনসিকিউরিটি। কৌন বনেগা লীগকা বাপ? ’৮৬ আর ’৯৬-এর স্মৃতি বিএনপি ভুলতে পারছে না, আর জামায়াত আছে আদর্শিক শত্রুতা/সহিংসতার ভয়ে, যা বিএনপি-লীগের ’৯০-এর দশকের যৌথ আক্রমণের স্মৃতি থেকে উৎসারিত।’

পোস্টে তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে ক্ষমতায় থেকে বিএনপি ‘বহুদলীয় গণতন্ত্র’ প্রতিষ্ঠা করে নেবে আর জামায়াত ‘চুপ মেরে গুপ্ত’ হয়ে যাবে।

এনসিপির উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আসল বিপদ এ প্রজন্মের, যারা লীগের ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়েছেন, তাদের। সে বিপদ আরও ত্বরান্বিত হয়েছে জামায়াত জোটে যাওয়ায়। নগদ যা লাভ হয়েছিল, সেটাকেও বড় করার কোনো চিহ্ন দেখা গেল না।’

তিনি লিখেছেন, 'জুলাই গণ-অভ্যুত্থান এবং অ্যান্টি-ফ্যাসিজমকে সামনে রেখে সাংগঠনিক শক্তির সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা যুক্ত করলে ফ্যাসিবাদ কোনো ফর্মেই আর ফিরতে পারবে না।'

মাহফুজ আলম বলেন, ‘এ প্রজন্ম ব্যস্ত নিজেদের হাতের তালুর চেয়ে ছোট রুটি ভাগাভাগিতে। রুটিটা বড় করেন। আপনাদের তাকদ আছে এ জাতিকে, গ্লোবাল সাউথকে লিড দেওয়ার। সেটা করেন। যার যার পার্টি, দোকান, ফেরকা, তরিকা থেকে সংগঠিত হোন। প্রতিষ্ঠান গড়ুন। সচ্ছল হোন। রাজনীতিতে নয় শুধু, সমাজেও প্রভাব তৈরি করুন। দীর্ঘমেয়াদি লড়াই ও সংহতির পাটাতন গড়ে তুলুন।’

বড়দের আসকারা-উসকানিতে অনেক শক্তিক্ষয় হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বড়রা হাটে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে এ প্রজন্মকে। সাথে ছোটদের কোরাম আর মতাদর্শভিত্তিক একপাক্ষিক বয়ানও সক্রিয় ছিল, আছে। এভাবেই খেয়ে ফেলা হয় তরুণদের। সেটা ’৭০-এর দশকে, ’৯০-এর দশকেও ঘটেছে।’

মাহফুজ আলম বলেন, ‘লড়াইটা প্রজন্মের। আগের প্রজন্ম আপনাদের বাঁচাবে না। সিম্পল কথা। এটা খেয়াল রেখে কৌশল নির্ধারণ করুন। যার যার ইমাম, খতিব, ফেরকা, তরিকা বানান, সমস্যা নাই। নিজেদের মধ্যে ব্যক্তি আক্রমণ আর বিদ্বেষচর্চা বন্ধ করেন। মতাদর্শের তর্ক তো হবেই, হোক। কিন্তু কেবলা রাখেন জুলাই আর অ্যান্টি-ফ্যাসিজম। আমরা ফ্যাসিস্ট লীগ তাড়াইছি নিশ্চিত মৃত্যু জেনে। সেই সাহসের সাথে এখন সাংগঠনিক শক্তি আর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা যুক্ত করেন। ফ্যাসিবাদ কোনো ফর্মেই আর ফিরতে পারবে না।’

আরও পড়ুন

×