ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

নানান শর্তে বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার শুটার কলির

নানান শর্তে বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার শুটার কলির
×

ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬ | ১৮:২৪

শৃংখলাভঙ্গের অভিযোগে গত ফেব্রুয়ারিতে কামরুন নাহার কলিকে এক বছরের জন্য বহিস্কার করে বাংলাদেশ শুটিং স্পোর্ট ফেডারেশনের বর্তমান কমিটি। দেশসেরা এই শুটারের বহিস্কারাদেশ তুলে নেয়ার জন্য যুব ও ক্রীড়াপ্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকও অনুরোধ করেন শুটিংয়ের কর্তাদের। তাতেও টনক নড়েনি তাদের। 

২২ এপ্রিল সমকালে প্রকাশিত ‘মন্ত্রীর কথাও শুনছেন না শুটিংয়ের কর্তারা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পরই ঘুম ভাঙ্গে শুটিং ফেডারেশনের। বুধবারই নির্বাহি কমিটির জরুরী মিটিংয়ে শর্তসাপেক্ষে কলির বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করে বর্তমান কমিটি। শুটিং ফেডারেশনের চিঠিতে কলির শাস্তি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের পিছনে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সুপারিশের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে।

বহিষ্কার প্রত্যাহার করলেও কলির ওপর আরোপ করা হয়েছে নানাবিধ শর্ত ও বিধি-নিষেধ। এসব নির্দেশনা মেনে লিখিত অঙ্গীকার দিয়ে আবার শুটিং ক্যাম্পে ফিরতে হবে কলিকে। ফেডারেশন আরোপিত নির্দেশনা অমান্য করলে কোনো নোটিশ ছাড়াই আবার স্থায়ীভাবে বহিষ্কার হবেন কলি। এমনটি জানিয়ে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে চিঠি দিয়েছে শুটিং ফেডারেশন। 

ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আলেয়া ফেরদৌস স্বাক্ষরিত বহিষ্কার প্রত্যাহার চিঠিতে কলির প্রতি মিডিয়া সংক্রান্ত নির্দেশনাই বেশি এসেছে। সেখানে উল্লেখ রয়েছে ফেডারেশনের অনুমতি ছাড়া মিডিয়ায় বক্তব্য দেওয়া যাবে না। এমনকি ফেসবুক কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেডারেশনের কোনো সিদ্ধান্ত কিংবা কোনো খেলোয়াড়-কোচকে নিয়ে বিশেষভাবেও পোস্ট দেওয়া যাবে না। কোচের আচরণবিধির পাশাপাশি ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলাও মেনে চলতে হবে।

কলিকে তিন মাস পর্যবেক্ষণ করবে ফেডারেশন। এই সময়ের মধ্যে কোনো ছোটখাটো শৃঙ্খলা ভঙ্গ হলেও সেটা স্থায়ী বহিষ্কারের কারণ হবে। পর্যবেক্ষণ সময়ের পরেও যদি ফেডারেশনের উল্লেখিত শর্ত ভাঙা হয়; সেক্ষেত্রে কারণ দর্শানোর নোটিশ ছাড়াই বহিষ্কার পুনরায় কার্যকর হবে।

আরও পড়ুন

×