ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

ভারত-পাকিস্তান

লড়াইয়ের ভেতরে লড়াই

লড়াইয়ের ভেতরে লড়াই
×

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ১১:১৭


গত ফেব্রুয়ারির চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর আবার সেই দুবাইয়েই মুখোমুখি উপমহাদেশের দুই চিরবৈরী প্রতিবেশী ভারত ও পাকিস্তান। ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় এ লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেন দুই দলের দুই তারকা পেসার জাসপ্রিত বুমরাহ ও শাহিন শাহ আফ্রিদি। অবশ্য দুবাইয়ের মন্থর পিচে দুই ‘রিস্টস্পিনার’ কুলদীপ যাদব ও আবরার আহমেদও নির্ধারক হয়ে উঠতে পারেন।

এ মুহূর্তে যে কোনো ফরম্যাটে বিশ্বের সেরা পেসার জাসপ্রিত বুমরাহ। তাঁর দুরন্ত গতির ভয়ংকর ইয়র্কার, নিখুঁত লেন্থ ডেলিভারি ব্যাটসম্যানদের জন্য একেকটা মৃত্যুবাণ। ডানহাতি এ পেসারকে পাকিস্তানের ওপেনাররা কতটা সফলভাবে মোকাবিলা করেন, তার ওপর নির্ভর করছে পাকিস্তানের শুভসূচনা। তাদের জন্য চিন্তার বিষয় হলো, দুই ওপেনার সাইম আইয়ুব ও সাহিবজাদা ফারহান ভালো ছন্দে নেই। তবে ওমানের বিপক্ষে তিন নম্বরে নামা মোহাম্মদ হারিস ফর্মে আছেন। 

সাম্প্রতিককালে বুমরাহকে সবচেয়ে ভালো খেলেছিলেন অসি ওপেনার স্যাম কনস্টাস। রিভার্স স্কুপে দুই ছয় মেরে ১৮ রান তুলে তারকা এই পেসারকে টেস্ট ক্যারিয়ারে ব্যয়বহুল ওভারের স্বাদ দিয়েছিলেন। সেই অসি ওপেনারের মতোই ব্যাট চালান হারিস। ২০২২ সালে প্রোটিয়া গতি তারকা কাগিসু রাবাদার বিপক্ষে এমন রিভার্স স্কুপ খেলে এক ওভারে ১৭ রান তুলেছিলেন হারিস। আজও হয়তো তেমন কিছুই করতে চাইবেন এ উইকেটকিপার ব্যাটার। বুমরাহকে এই প্রথম খেলবেন হারিস। এটা একটা সমস্যা হতে পারে।

বুমরাহর মতো পাকিস্তানেরও রয়েছে এক পেস দানব, শাহিন শাহ আফ্রিদি। তাঁকে সামলানোর দায়িত্ব থাকবে ভারতের ওপেনার শুভমান গিলের ওপর। অবশ্য শাহিনের বিপক্ষে গিলের অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখের নয়। ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে আহমেদাবাদে তাঁকে আউট করে এক লাখ দর্শককে চুপ করিয়ে দিয়েছিলেন বাঁহাতি এ পেসার। দুই বছরের পরিক্রমায় গিলের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। কোহলি-রোহিতের অনুপস্থিতিতে গিল এখন ভারতীয় ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় তারকা। ব্যাট হাতে ধারাবাহিকতার পুরস্কার হিসেবেই ভারতের টেস্ট দলের অধিনায়ক হয়েছেন ও টি২০ ম্যাচে সূর্যকুমারের ডেপুটি। 

অবশ্য এ সময়ের মধ্যে আফ্রিদিরও অনেক পরিবর্তন এসেছে। গত দুই বছর পিঠের চোটে বেশ ভুগেছেন, অধিনায়কত্বও চলে গেছে। এত কিছুর পরও তাঁর লেট ইন-সুইং, দুরন্ত পেসে কোনো ভাটা পড়েনি। একা হাতে যে কোনো ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। ২০২১ সালে টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে জিতিয়ে সে প্রমাণ তিনি রেখেছিলেন। এবারও তেমন কিছু করে দেখাতে পারবেন আফ্রিদি!

আরও পড়ুন

×