ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

ঘরের মাঠে বাউন্সি পিচ চাইলেন গম্ভীর

ঘরের মাঠে বাউন্সি পিচ চাইলেন গম্ভীর
×

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৫ | ১১:৪১

সেই যে শেষবার জ্যামাইকাতে সৌরভ গাঙ্গুলীদের টেস্টে হারিয়েছিল কার্ল হোপাররা, তারপর ২৩ বছর কেটে গেছে। মাঝে ২৭ টেস্টের কোনোটিতেই হারেনি ভারত। সর্বশেষ জয়টি গতকাল এসেছে দিল্লিতে ৭ উইকেটে। এই ফরম্যাটে ক্যারিবীয়দের ওপর ভারতীয়দের দাপট এতটাই বেশি যে টানা ১০টি সিরিজ জিতে রেকর্ড করে ফেলেছেন শুভমান গিলরা। 

এর আগে এ রেকর্ডটি ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। তারা ১৯৯৮ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে এই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেই টানা ৯টি সিরিজ জিতেছিল। সেখানে আহমেদাবাদ টেস্ট আড়াই দিনে আর দিল্লি টেস্টে ক্যারিবীয়দের ফলোঅনে ফেলে ২-০ ব্যবধানে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করেছে ভারত। প্রথমবারের মতো অধিনায়ক হিসেবে টেস্ট সিরিজ জয়ের স্বাদ পেলেন গিল।

প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেটে ৫১৮ রান তুলে ইনিংস ডিক্লেয়ার্ড করা ভারতকে একটু চ্যালেঞ্জে ফেলেছিলেন শাই হোপরা, তা ওই দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রান তুলে। দিল্লির স্পিননির্ভর পিচে ম্যাচসেরা হয়েছেন কুলদীপ যাদব। ১৯৯৩ সালের পর থেকে দিল্লির এই অরুণ জেটলি মাঠে ১৪ টেস্টের কোনোটিতেই হারেনি ভারত। 

এত এত সফলতার রেকর্ডের পরেও ভারতীয় কোচ গৌতম গম্ভীর জানিয়েছেন ঘরের মাঠে এতটা স্পিননির্ভর পিচ তিনি চান না। ‘আমার মনে হয়, সময় হয়েছে আমাদের পেসারদের জন্য পিচে কিছু রাখার। আমি জানি স্পিনাররা আমাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, তার পরও আমি বলব ঘরের মাঠে বাউন্সি পিচ থাকুক। সেখানে হয়তো স্পিনাররা টার্ন পাবে না, কিন্তু বল যেন বাউন্স করে– সেটা চাইব।’

গম্ভীরের এই উপলব্ধি গত বছর ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের কাছে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর। যেখানে স্পিন দিয়েই ভারতীয়দের ঘায়েল করেছিল কিউইরা। সেই হারে বিশ্ব টেস্ট চাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা তাদের বাতিল হয়। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেই সক্ষমতা নেই। সিরিজ জয়ের পর গৌতম গম্ভীর বরং তাদের হয়েই কথা বলেছেন। 

‘আমি সব সময় বলে থাকি ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দরকার ক্রিকেটে। তাদের দলে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার কম, তার পরও দিল্লি টেস্টে তারা যেভাবে লড়াইয়ে ফিরে এসেছে, তা দেখে ভালো লেগেছে।’ 

এই টেস্ট শেষ করে আজই অস্ট্রেলিয়া উড়াল দেওয়ার কথা ভারতীয় দলের। সেখানে রোববার থেকে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে নামবেন গিলরা। টেস্টের পর অধিনায়ক গিলের নতুন অধ্যায় শুরু ওয়ানডেতেও। ‘ভারতকে নেতৃত্ব দিতে পারা অনেক বড় সম্মানের। বলতে পারেন, এসবে এখন অভ্যস্ত হয়ে উঠছি। দলকে সামলানো, অধিনায়কত্ব করা, এসব বড় প্রাপ্তি।’

আরও পড়ুন

×