ঢাকা বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ নভেম্বরে ঢাকায়  

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ নভেম্বরে ঢাকায়  
×

ফাইল ফটো

ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬ | ১২:৩৬

সর্বশেষ ২০২৩ সালে ভারতের বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। নিয়মানুযায়ী গত বছর হওয়ার কথা ছিল দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের বিশ্বকাপখ্যাত এ টুর্নামেন্টটি। নানা কারণে না হওয়া সাফ মাঠে গড়াচ্ছে এই বছর। অনুমেয়ভাবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের এই আসরটি বাংলাদেশেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ৪-১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ঢাকায় বসবে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের সবচেয়ে বড় এই টুর্নামেন্ট। সাউথ এশিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভায় এ বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে। 

এর আগে ২০১৮ সালে সাফ আয়োজন করেছিল বাংলাদেশ। ২৫ জুলাই ঢাকায় প্রতিযোগিতার লোগো উন্মোচিত হবে। আর ১ আগস্ট ভুটানের থিম্পুতে আনুষ্ঠানিকভাবে সাফের ড্র অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। দেশের মাঠে সাফ খেলার সুযোগ পাচ্ছেন হামজা চৌধুরী, শমিত সোম, ফাহমিদুল ইসলামরা।

২০০৩ সালে প্রথমবার সাফের আয়োজন করে বাংলাদেশ। সেই আসরে শিরোপাও জিতেছিল লাল-সবুজের দলটি। ২০০৯ সালে দ্বিতীয়বারের মতো সাফের আয়োজক হওয়া বাংলাদেশ সেমিফাইনাল খেলেছিল। সর্বশেষ আসরেও জামাল ভুঁইয়া-শেখ মোরসালিনরা শেষ চারে খেলেছিলেন। ফিফা বিশ্বকাপের পর সাফ ফুটবলের এই আসরটি দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ফুটবলপ্রেমীদের মন জয় করবে বলে বিশ্বাস সাফের সাধারণ সম্পাদক পুরুষোত্তম কাট্টেল, ‘সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের তারিখ ও ভেন্যু ঘোষণা করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। 

এই টুর্নামেন্টটি আমাদের হৃদয়ে এক বিশেষ স্থান দখল করে আছে, যা বছরের পর বছর এই অঞ্চলের ফুটবলপ্রেমীদের অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছে। ফিফা বিশ্বকাপ মাত্র শেষ হওয়ায় দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এই ঘোষণাটি অত্যন্ত রোমাঞ্চকর একটি সময়ে এসেছে। বাংলাদেশে ফুটবলের প্রতি দ্রুত বাড়তে থাকা আগ্রহের কথা বিবেচনায় রেখে বাংলাদেশকে আয়োজক হিসেবে নিশ্চিত করাটি বিশেষ আনন্দদায়ক। আমরা আশা করি, বাংলাদেশ একটি জাঁকজমকপূর্ণ ও সফল আয়োজন উপহার দেবে, যা খেলোয়াড় ও সমর্থকদের মনে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ ফেলবে।’

প্রতিযোগিতার রেকর্ড চ্যাম্পিয়ন ভারত। এ পর্যন্ত ৯টি শিরোপা জিতেছে তারা। ভারতের বাইরে কেবল দুটি শিরোপা আছে মালদ্বীপের। ২০০৮ ও ২০১৮ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল দ্বীপদেশটি। বাংলাদেশ ছাড়া একবার করে এই ট্রফি জিতেছে আফগানিস্তান (২০১৩) ও শ্রীলঙ্কা (১৯৯৫)।
 

আরও পড়ুন

×