সাঁতারের ‘ক্যান্সার’ ইলেকট্রনিক স্কোরবোর্ড!
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬ | ১৩:০৭
২০১৯ সালে মিরপুর সুইমিং কমপ্লেক্সে পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে বসানো হয়েছিল ইলেকট্রনিক স্কোরবোর্ড। কিন্তু স্কোরবোর্ডটি অচল হয়ে আছে শ্বেতহস্তির মতো। জাতীয় সাঁতার চ্যাম্পিয়নশিপ বিভিন্ন বয়সভিত্তিক প্রতিযোগিতা হয়ে আসছে হ্যান্ডটাইমিংয়ে। গত সাত বছরেও স্কোরবোর্ড সচল করার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
ম্যাক্স গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় আজ শুরু হতে যাওয়া ৩৫তম জাতীয় সাঁতার, ডাইভিং ও ওয়াটার পোলো প্রতিযোগিতা হবে হ্যান্ডটাইমিংয়ে। গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ইলেকট্রনিক স্কোরবোর্ডকে সাঁতারের ‘ক্যান্সার’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আমিনুল হক দেওয়ান সজল, ‘সত্যি কথা বলতে সাঁতারের জন্য ক্যান্সার হয়ে দাঁড়িয়েছে অচল এই ইলেকট্রনিক স্কোরবোর্ড। আমি ব্যক্তিগতভাবে এটা নিয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। সামনে সাউথ এশিয়ান গেমস। এর আগে ইলেকট্রনিক স্কোরবোর্ড সচল না করলে সাঁতারুরা তাদের আসল অবস্থান জানতে পারবে না। এটা ঠিক না হলে আমরা এস এ গেমসে পদক পাব কিনা, তা নিয়ে সংশয় আছে।’
মিরপুরের জাতীয় সুইমিং কমপ্লেক্সে চার দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে ৭৪টি দলের প্রায় ৪৭০ জন পুরুষ ও ১০২ জন নারী সাঁতারু। এবারের প্রতিযোগিতায় সাঁতারে মোট ৪২টি ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। বিশ্ব অ্যাকোয়াটিক্সের ইভেন্ট কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গত বছর থেকে পুরুষদের ৮০০ মিটার ফ্রিস্টাইল, নারীদের ১ হাজার ৫০০ মিটার ফ্রিস্টাইল, ৪ গুণিতক ১০০ মিটার মিক্সড ফ্রিস্টাইল রিলে এবং ৪ গুণিতক ১০০ মিটার মিক্সড মিডলে রিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এ ছাড়া গত বছর থেকে জাতীয় পর্যায়ে নারীদের জন্য তিনটি ডাইভিং ইভেন্ট চালু হয়েছে। ডাইভিংয়ে পুরুষদের তিনটি ও নারীদের তিনটি ইভেন্টের পাশাপাশি ওয়াটার পোলো মিলিয়ে মোট ৪৯টি ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিযোগিতার অংশ হিসেবে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ও শারীরিক প্রতিবন্ধী সাঁতারুদের জন্য একটি প্রদর্শনী সাঁতার ইভেন্টও রাখা হয়েছে।
- বিষয় :
- সাঁতার