ঢাকা শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

ওয়ালটন-ইমরুলে বৃথা নাঈমের ইনিংস

ওয়ালটন-ইমরুলে বৃথা নাঈমের ইনিংস
×

ছবি: বিসিবি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯ | ০৫:১৭

নবীন কাঁধে ভার নিয়ে একপাশ থেকে দারুণ এক ইনিংস খেলেছেন নাঈম শেখ। কিন্তু দলের অন্যদের ব্যাট না হাসায় সংগ্রহ বড় হয়নি রংপুর রেঞ্জার্সের। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে রংপুর থামে ১৫৭ রানে। সেই রান তাড়া করতে নেমে চ্যাদউইক ওয়ালটন এবং ইমরুল কায়েসের ব্যাটে ভর করে ৬ উইকেটের সহজে জয় পেয়েছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। তুলে নিয়েছে নিজেদের দ্বিতীয় জয়।

শনিবার ফরিদপুরের বাঁ-হাতি ওপেনার নাঈম শেখ ৫৪ বলে খেলেন ৭৮ রানের ইনিংস। কিন্তু শুরুতে আফগান ওপেনার মোহাম্মদ শাহজাদ, টম অ্যাবেল এবং জহুরুল ইসলাম ব্যর্থ হয়ে ফেরেন। রংপুরের অধিনায়ক মোহাম্মদ নবী খেলেন ১২ বলে ২১ রানের ইনিংস। তবে একপাশ থেকে তিনটি ছক্কা ও ছয়টি চারে দারুণ এক ইনিংস খেলেন নাঈম। মধ্যে রান তোলেন দুইশ’ স্ট্রাইক রেটে। কিন্তু দল চাপে পড়ে যাওয়ায় ব্যাটিংয়ে ধৈর্য্য বাড়াতে হয় তার। শেষ পর্যন্ত ১৪৪.৪৪ স্ট্রাইক রেটে রান তুলে আউট হন। খেলেন এবারের বিপিএলে এখন পর্যন্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংস।

এর আগে বঙ্গবন্ধু বিপিএলের প্রথম দিনই সর্বোচ্চ ৮৪ রানের ইনিংস খেলেন মোহাম্মদ মিঠুন। নাঈমের পরে দাশুন সানাকা ৭৫ রানের ইনিংস খেলেছেন। তামিম ইকবাল করেছেন ৭৪ রান। নাঈম অবশ্য অল্পের জন্য টি-২০ ক্যারিয়ারে তার সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটা ছাড়াতে পারেননি। ভারতের বিপক্ষে তিনি খেলেছিলেন ৮১ রানের ইনিংস। রংপুরের ইনিংসের জবাব দিতে নেমে চট্টগ্রামের দুই ওপেনার ম্যাচ রংপুরের হাত থেকে বের করে নেন।

ওয়ালটন চ্যাডউইক ৩৪ বলে চারটি বাউন্ডারি ও তিনটি ওভার বাউন্ডারিতে খেলেন পুরোপুরি ফিফটি রানের ইনিংস। তার সঙ্গে লংকান ওপেনার আভিস্কা ফার্নান্দো ২৩ বলে ৩৭ রান করেন। তিনে নেমে ইমরুল কায়েস ৩৩ বলে ৪৪ রানের ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়ে ফেরেন। তবে ইনজুরি থেকে ফিরে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ব্যাটে রান পাননি। এ ম্যাচেও ব্যার্থ হন নাসির হোসেন।

চট্টগ্রামের হয়ে কেসরিক উইলিয়াম ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৩৫ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। বাংলাদেশ পেসার রুবেল হোসেন ৪ ওভারে ৩২ রান খরচা করে নেন একটি উইকেট। রায়ান বার্ল তার ৪ ওভারে দেন ২৪ রান। নেন ১ উইকেট। মাহমুদুল্লাহ এবং বাঁ-হাতি তরুণ পেসার মেহেদি হাসান রানা একটি করে উইকেট নেন। রংপুরের হয়ে লেইস গ্রেগরি দুটি উইকেট নেন।

আরও পড়ুন

×