ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

স্টার্টআপে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ

স্টার্টআপে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ
×

টেকলাইফ প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ | ১৩:৪৭

| প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্কের অধীনে আইসিটি বিভাগের বাস্তবায়িত ডিজিটাল উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবন ইকোসিস্টেম উন্নয়ন (ডিইআইইডি) প্রকল্পের স্টার্টআপ অ্যান্ড স্কেলআপ প্রোগ্রামের (এসএসপি) কাজ এগিয়ে চলছে।

জানা গেছে, স্থানীয়ভাবে দেশের এক হাজার ৯১টি স্টার্টআপের মধ্যে ৩০২টি স্কেলআপে মানোত্তীর্ণ হয়েছে। এদের মধ্যে কেপিআই অর্জন করেছে ১৩৪টি স্টার্টআপ। কর্মসংস্থান,  রাজস্ব ও বিনিয়োগ সক্ষমতায় ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে, যা দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের জন্য ইতিবাচক।

প্রকল্প পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, ন্যাশনাল ডেমো ডে উদযাপন শুধু ইভেন্ট নয়; বরং বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে সংযুক্ত ও বিনিয়োগযোগ্য প্ল্যাটফর্মে রূপান্তরের পদক্ষেপ। সঠিক দিকনির্দেশনা, মেন্টরশিপ ও বিনিয়োগ সংযোগের মাধ্যমে স্থানীয় উদ্যোক্তারা শুধু দেশেই নয়; বহির্বিশ্বে নিজেদের অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে। দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য যা ইতিবাচক। দেড় শতাধিক স্টার্টআপ বিনিয়োগকারী, ব্যাংক, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান ও করপোরেট সংস্থা তাদের ব্যবসায়িক ধারণা ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করছেন।

ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেছেন। উদ্যোক্তার উদ্ভাবনী ধারণা, ব্যবসায়িক চ্যালেঞ্জ, বিনিয়োগ সম্ভাবনা ও বাজার সম্প্রসারণের কৌশল কীভাবে সুসংহত করা সম্ভব, সে বিষয়ে ধারণা নেন। সব ধরনের স্টার্টআপের টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিতে নীতি-সহায়তা, প্রযুক্তি ব্যবহারের সম্প্রসারণ ও বহির্বিশ্বে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।

স্টার্টআপ থেকে স্কেলআপ

স্টার্টআপ অ্যান্ড স্কেলআপ প্রোগ্রামের আওতায় প্রশিক্ষণ, মেন্টরশিপ ও বিনিয়োগ সংযোগ– এই তিনের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা উদ্যোগটি দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে গতিশীল ও টেকসই করতে সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে বাংলাদেশের স্টার্টআপ খাতকে টেকসই ও বিনিয়োগযোগ্য খাতে পরিণত করবে।

দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে যা উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে। স্টার্টআপ বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল হাই জানালেন, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী ও এই খাতের প্রতিনিধির মধ্যে কার্যকর সংযোগ স্থাপন করা জরুরি। ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ, অংশীজন ও বহির্বিশ্বে বাজার সম্প্রসারণের জন্য এই সমন্বয় অবারিত সুযোগ তৈরি করবে।

ইতোমধ্যে স্থানীয় স্মার্টআপ শিল্পের মানোন্নয়নে তিন দিনের ন্যাশনাল ডেমো ডে উদযাপন করা হয়েছে। বাংলাদেশ হাই-টেক পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আনোয়ার উদ্দিন বলেন, সারাদেশে স্মার্টআপ শিল্পের বিকাশ করতে সরকার কাজ শুরু করেছে। নতুন করে সম্ভাবনাময় প্রকল্পকে চিহ্নিত করে তাতে বিনিয়োগ করতে দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে হবে। দেশি সব স্টার্টআপ যেন তাদের পরিষেবা, ব্যবসা মডেল আর টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারে, সে জন্য সহায়তার পরিকল্পনা রয়েছে।   

আরও পড়ুন

×