ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্যক্তিগত চ্যাটে সুরক্ষা দেবে গুগল ফিচার

ব্যক্তিগত চ্যাটে সুরক্ষা দেবে গুগল ফিচার
×

­ আইসিটি ডেস্ক

প্রকাশ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৭:৩৩

| প্রিন্ট সংস্করণ

বহুল ব্যবহৃত ও বিশ্বের ৩০০ কোটির বেশি গ্রাহকের আস্থার হোয়াটসঅ্যাপে অনেক জরুরি ও ব্যক্তিগত চ্যাট, ডকুমেন্ট রয়ে যায়।
তাই অন্য কেউ যেন অজ্ঞাতে ফোন হাতে পেলেও সেই চ্যাট দেখতে না পারে, সে জন্য রয়েছে চ্যাট লক ফিচার। এই সুবিধার মাধ্যমে নির্দিষ্ট চ্যাটকে মূল চ্যাট লিস্ট থেকে সরিয়ে আলাদা লক করা ফোল্ডারে সংরক্ষিত করা যায়। 
লক করা চ্যাট সাধারণ চ্যাট তালিকায় দৃশ্যমান হয় না। সেই চ্যাট খুলতে প্রয়োজন হবে ফোনে ব্যবহৃত পাসকোড, ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফেস আইডি বা নিজস্ব সিক্রেট কোড। এই পদ্ধতিতে ব্যক্তিগত কোনো চ্যাট বা ছবি অনেকাংশে সুরক্ষিত হয়।

চ্যাট লক করবেন যেভাবে
সাধারণত যে চ্যাট লক করার প্রয়োজন, সেটির ওপর রাইট ক্লিক করতে হবে। এরপর লক চ্যাট অপশনে ক্লিক করতে হবে। একইভাবে অন্য কোনো লক করা চ্যাট খুলতে চাইলে আনলক চ্যাট অপশন ব্যবহার করতে হবে। 
চ্যাট লক করার পর সেই মেসেজের নতুন কোনো নোটিফিকেশন এলে বিশদ তথ্য সামনে আসবে না। অর্থাৎ ফোনের স্ক্রিনে মেসেজের বিষয়বস্তু বা ওই মেসেজের প্রেরক কে, তার নাম প্রকাশের সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে যায়।

সিক্রেট কোড
চ্যাট লক করার ক্ষেত্রে ফোনের পাসকোডের থেকে আলাদা বিশেষ সিক্রেট কোড তৈরি করা যায়। এই কোড ব্যবহার করে লুকায়িত চ্যাট খুঁজে বের করা সম্ভব। অ্যান্ড্রয়েড বা আইফোন– এ দুই ধরনের সংস্করণেই এই সিক্রেট কোড তৈরি করা যায়।

লুকানো চ্যাট খুঁজতে যা করবেন
সিক্রেট কোড দিয়ে লক করা চ্যাট দেখতে হলে প্রথমেই অ্যাপের চ্যাটের সার্চ অপশনে গিয়ে 
নিজস্ব সিক্রেট কোড লিখতে হবে। এরপর কন্টিনিউ অপশনে ক্লিক করলে লক করা চ্যাট পুনরায় সামনে দৃশ্যমান হবে।
ব্যক্তি সুরক্ষার প্রয়োজনে লক করা চ্যাট ফোল্ডারকে একেবারে লুকিয়ে রাখা যায়। সাধারণভাবে সেটি সামনে আসবে না। 
শুধু সিক্রেট কোড ব্যবহার করেই ফোল্ডারের খোঁজ পাওয়া যাবে। জানা আবশ্যক, লক করা চ্যাটের কোনো ব্যক্তির কল ব্লক হয় না। আবার নতুন ফোনে এই অ্যাপের ব্যাকআপ রিস্টোর করলেও লক করা চ্যাট আগের মতো রয়ে যায়। বিশেষ নিরাপত্তার স্বার্থে এটি বেশ কাজে আসে।

আরও পড়ুন

×