ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

অধ্যাদেশ

সংশয়ে সংস্কার এবং বিচার, গুম ও দুদকের ভাগ্য

একই সঙ্গে ১৬টি অধ্যাদেশকে মেয়াদোত্তীর্ণ করে স্থগিত রাখার সুপারিশ করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে জোরপূর্বক গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও দুদক আইনের সংশোধনী এবং তথ্যের অধিকার আইন। সবচেয়ে উদ্বেগজনক হলো গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশকে মেয়াদোত্তীর্ণ করার সিদ্ধান্ত। এতে গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছিল। সরকার যে যুক্তি দেখিয়েছে, তা উদ্বেগজনক ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে তদন্ত বা গ্রেপ্তারের জন্য সরকারের পূর্বানুমতি লাগবে’। যদি গুমের অভিযোগ ওঠে কোনো নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যের বিরুদ্ধে, তাহলে তদন্তের অনুমতি চাইতে হবে খোদ সেই সরকারের কাছে—যারা ওই বাহিনী নিয়ন্ত্রণ করে। বিগত সরকারের আমলে গুমের শিকার পরিবারগুলো ঠিক এই কারণেই ন্যায়বিচার পায়নি।

আপডেটঃ ০৬ এপ্রিল ২০২৬ | ১৬:৪০
সংশয়ে সংস্কার এবং বিচার, গুম ও দুদকের ভাগ্য

সর্বশেষ