সেন্টমার্টিনে মালয়েশিয়াগামী ট্রলারডুবি, ১৫ লাশ উদ্ধার
ট্রলার ডুবির ঘটনায় উদ্ধার হওয়া লাশ -সমকাল
কক্সবাজার অফিস ও টেকনাফ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ২১:৪৩ | আপডেট: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ০২:৩৩
অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে মঙ্গলবার সকালে সেন্টমার্টিনের অদূরে ট্রলার ডুবির ঘটনায় ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ৬৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও নিখোঁজ রয়েছে অর্ধশতাধিক মানুষ। ওই ট্রলারে শতাধিক যাত্রী ছিল, তাদের বেশিরভাগই রোহিঙ্গা।
কোস্টগার্ডের সেন্টমার্টিন স্টেশন কমান্ডার শফিকুল ইসলাম জানান, সাগরে দিয়ে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওযার পথে ট্রলারটি ডুবে যায়। এ ঘটনায় ১৫ জনের লাশ ও ৬৫ জনকে জীবত উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৩ জন নারী ও দু’জন শিশু রয়েছে। ওই ট্রলারে শতাধিক যাত্রী ছিল, যারা অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার জন্য রওনা হয়েছিল।
সেন্টমার্টিনের স্থানীয়দের কয়েকজন জানান, এখনো সাগরে লাশ ভাসছে।
সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ বলেন, ১৫ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো উদ্ধার কাজ অব্যাহত রয়েছে। নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে। এখানো অর্ধশতাধিক লোক নিখোঁজ রয়েছে।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসেন জানান, রাতের কোনো এক সময়ে ট্রলারটি মালয়েশিয়ায় যাওয়ার জন্য রওনা হয়েছিল। সম্ভবত অতিরিক্ত মানুষ বোঝাইয়ের কারণে সেটি সাগরে ডুবে যায়। ট্রলারে কতজন লোক ছিল এখনও জানা যায়নি।
তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে নৌ বাহিনী ও কোস্টগার্ড দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছে। সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ১৫টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে আরো ৬৫ জনকে। উদ্ধারকৃতদের বেশিরভাগই রোহিঙ্গা। তবে তারা কোন ক্যাম্পের বাসিন্দা এখনও জানা যায়নি। এ ঘটনায় জীবিত উদ্ধারকৃতদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তখন বিস্তারিত জানা যাবে।
কোস্টগার্ড সেন্টমার্টিন স্টেশনের ইনচার্জ লেফটেন্যান্ট কমান্ডার নাঈম-উল হক জানান, সেন্টমার্টিন দ্বীপের অদূরে ১৫ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণ সাগরে ট্রলার ডুবির এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় জেলেদের কাছ থেকে খবর পাওয়ার পর কোস্টগার্ড ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি নৌ-বাহিনীর একটি জাহাজও উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছে।
- বিষয় :
- ট্রলার ডুবি
- নিহত
- সেন্টমার্টিন
