ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

চবির চারুকলা ইনস্টিটিউট

ক্লাস বর্জন করে দ্বিতীয় দিনের আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা

ক্লাস বর্জন করে দ্বিতীয় দিনের আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা
×

চবি প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৩ নভেম্বর ২০২২ | ০৯:৫০ | আপডেট: ০৩ নভেম্বর ২০২২ | ০৯:৫০

শ্রেণিকক্ষ সংস্কার, আবাসিক হলের ব্যবস্থা, পানি সরবরাহ নিশ্চিতসহ ২২ দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো আন্দোলন কর্মসূচি পালন করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার ক্লাস বর্জন করে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. শিরীণ আখতার মৌখিক আশ্বাস দিলেও দাবি পূরণ না হলে রোববার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য আন্দোলনে যাবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

এর আগে বুধবার দুপুরে ২২ দাবি জানিয়ে ক্লাস বর্জন করে আন্দোলনে নামেন চারুকলার শিক্ষার্থীরা। চারুকলার স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী পার্থ রায় বলেন, গ্রন্থাগারে পর্যাপ্ত বই নেই। ছবি আঁকার সরঞ্জামও সংকট। দেয়াল থেকে মাঝেমধ্যেই প্লাস্টার খসে পড়ায় শ্রেণিকক্ষে বসতে ভয় পান শিক্ষার্থীরা। এসব নিয়ে কয়েকবার পরিচালককে জানালেও কোনো ব্যবস্থা নেননি। সর্বশেষ মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে পেইন্টিং কক্ষে প্লাস্টার খসে পড়লে সব শিক্ষার্থী ক্লাস বর্জনের ঘোষণা দেন।
তিনি জানান, উপাচার্য তাঁদের মৌখিক আশ্বাস দিয়েছেন। ইনস্টিটিউটের কিছু শিক্ষক তাঁদের দাবিগুলো পর্যবেক্ষণ করছেন। তবে দাবি পূরণের সঠিক নির্দেশনা কেউ দেননি।
তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মেহেদী আলম জানান, ইনস্টিটিউটে অর্ধেকের বেশি ছাত্রী হলেও তাঁদের আবাসনের কোনো ব্যবস্থা নেই। ছাত্রদের জন্য রয়েছে মাত্র ১৩ আসনের একটি হোস্টেল। সেখানে কোনো রকমে ২৫ জন থাকেন।
তিনি আরও জানান, শ্রেণিকক্ষের কোথাও পানির ব্যবস্থা নেই। আঁকাআঁকি শেষে শিক্ষার্থীদের হাত ধোয়ার জন্য চারতলা থেকে নামতে হয় নিচতলায়। মেয়েদের জন্য রয়েছে মাত্র একটি শৌচাগার। সাড়ে ৩০০ শিক্ষার্থীর জন্য এখানে নূ্যনতম সুবিধা নেই।
ইনস্টিটিউটের পরিচালক প্রণব মিত্র চৌধুরী বলেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দাবিগুলোর বিষয়ে কথা বলেছি। উপাচার্যের সঙ্গেও কথা বলেছেন শিক্ষার্থীরা। এখন থেকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ শুরু হবে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলা বিভাগের যাত্রা ১৯৭০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর। এর পর ২০১০ সালে নগরের সরকারি চারুকলা কলেজের সঙ্গে এক করে গঠন করা হয় চারুকলা ইনস্টিটিউট। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২২ কিলোমিটার দূরে নগরীর মেহেদীবাগের বাদশা মিয়া সড়কে এখন এর অবস্থান।

আরও পড়ুন

×