ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

বগুড়ার দুই আসনে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ১৫৮টি, থাকবে বিজিবি-র‌্যাব

বগুড়ার দুই আসনে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ১৫৮টি, থাকবে বিজিবি-র‌্যাব
×

বগুড়া ব্যুরো

প্রকাশ: ২৬ জানুয়ারি ২০২৩ | ১৭:০৯ | আপডেট: ২৬ জানুয়ারি ২০২৩ | ১৭:০৯

বগুড়ার দুটি আসনে উপনির্বাচন আগামী ১ ফেব্রুয়ারি। এরই মধ্যে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা। তবে এর মধ্যেই ভোটের দিন সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে ভোটারদের মনে। জেলা পুলিশের গোপনীয় শাখা (ডিএসবি) থেকে আসন দুটির ২৫৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৫৮টিকেই ঝুঁকিপূর্ণ (অধিক গুরুত্বপূর্ণ) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যার মধ্যে বগুড়া-৬ সদর আসনে মোট ১৪৩টির মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের সংখ্যা ৭৯টি। বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনেও মোট ১১২টির মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ৭৯টি।

ডিএসবি সূত্র জানায়, দুই আসনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বগুড়া-৪-এর কাহালু উপজেলার ভোটকেন্দ্রগুলো। ওই উপজেলায় ৬৩টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫৬টিই ঝুঁকিপূর্ণ। ওই আসনের নন্দীগ্রাম উপজেলার ৪৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৩টি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অন্যদিকে বগুড়া-৬ সদর আসনে ১৪৩টি কেন্দ্রের মধ্যে সাধারণ কেন্দ্র ৬৪টি। বাকি ৭৯টি কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ।

ডিএসবি পুলিশের পরিদর্শক জি এম শামসুর নুর বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোয় বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকবে। এমন প্রতিটি কেন্দ্রে থাকবেন চারজন পুলিশ ও ১২ জন করে আনসার সদস্য। এ ছাড়া উভয় আসনেই ভোটের আগে থেকে বিজিবি, র‌্যাব, মোবাইল টিমসহ নানা ধরনের নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকবে।

এদিকে বগুড়ার দুই আসনে উপনির্বাচন সুষ্ঠুু হবে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে ভোটার এবং প্রার্থীদের মধ্যে। বিশেষ করে বগুড়া সদর আসনের ভোট নিয়ে চলছে নানা জল্পনা। সম্প্রতি সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহাফুজুল ইসলাম রাজের একটি বক্তব্য ভোটার ও প্রার্থীদের শঙ্কা আরও জোরালো করে তুলেছে। গত ৬ জানুয়ারি এক কর্মিসভায় রাজ বলেছিলেন, যারা নৌকায় ভোট দেবে না, তাদের কেন্দ্রে যাওয়ার দরকার নেই। তাঁর বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এ বিষয়ে মাহফুজুল ইসলাম রাজ অবশ্য বলছেন, তাঁর বক্তব্যকে বিকৃত করা হয়েছে। তবুও ভোটারদের মন থেকে সন্দেহ দূর হচ্ছে না।

তবে ভোটার ও প্রার্থীদের শঙ্কাকে অমূলক বলছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবর রহমান মজনু। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমরা সুষ্ঠুু ভোটের মাধ্যমেই নৌকার বিজয় চাই। ভোটাররা উন্নয়নের স্বার্থেই নৌকায় ভোট দেবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি।

নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলামও তপশিল ঘোষণার পর থেকে বলে আসছেন, সুষ্ঠু ভোট করতে যা করা প্রয়োজন তাই করা হবে। এ বিষয়ে সব ধরনের প্রদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন

×