ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

উপনির্বাচন

বগুড়ায় জামানত হারালেন ১৩ প্রার্থী

বগুড়ায় জামানত হারালেন ১৩ প্রার্থী
×

বগুড়ায় গতকাল ভোটের চিত্র। ছবি: স্টার মেইল

বগুড়া ব্যুরো

প্রকাশ: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | ০৬:৪০ | আপডেট: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | ০৬:৪২

জাতীয় সংসদের উপনির্বাচনে বগুড়ায় দুটি আসনে জামানত হারিয়েছেন ১৩ প্রার্থী। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে আট ভাগের এক শতাংশ ভোট না পাওয়ায় তাঁদের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। এর মধ্যে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমসহ আটজন আর বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে পাঁচজন।

বগুড়া-৬ সদর আসনে ১১ প্রার্থীর মধ্যে যারা জামানত হারাচ্ছেন তাঁরা হলেন জাতীয় পাার্টির (লাঙ্গল) নুরুল ইসলাম ওমর। তিনি ভোট পেয়েছেন ছয় হাজার ৯৯৫টি। জাসদের ইমদাদ হোসেন ইমদাদ (মশাল) ভোট পেয়েছেন এক হাজার ৪০ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী মাসুদার রহমান হেলাল আপেল প্রতীকে এক হাজার ৬১৮ ভোট পেয়েছেন। অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী সরকার বাদল কুড়াল প্রতীকে পেয়েছেন দুই হাজার ৮১১ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলম একতারা প্রতীকে পেয়েছেন পাঁচ হাজার ২৭৪ ভোট। জাকের পার্টির ফয়সাল শফিক গোলাপ ফুল প্রতীকে পেয়েছেন ৪১৭ ভোট। গণফ্রন্টের আফজাল হোসেন মাছ প্রতীকে পেয়েছেন ১৭০ ভোট। বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের নজরুল ইসলাম বটগাছ প্রতীকে পেয়েছেন ৪৬৮ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী রাকিব হাসান কুমির প্রতীকে পেয়েছেন এক হাজার ৪৪৯ ভোট।

এ আসনে চার লাখ ১০ হাজার ৭৪৩ ভোটের মধ্যে ভোট পড়েছে ৯১ হাজার ৭৪২টি। নৌকা প্রতীকে রাগেবুল আহসান রিপু ৪৯ হাজার ৩৩৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বি আব্দুল মান্নান ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ২১ হাজার ৮৬ ভোট।

বগুড়া-৪ আসনে জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের শাহীন মোস্তফা ফারুক। তিনি ভোট পেয়েছেন ছয় হাজার ৫৪৬ ভোট। জাকের পার্টির আব্দুর রশিদ সরকার। তিনি গোলাপ ফুল প্রতীকে পেয়েছেন চার হাজার ৯৪ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম মোস্তফা দালান প্রতীকে পেয়েছেন দুই হাজার ৪৯০ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট ইলিয়াস আলী কলার ছড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৮৪৮ ভোট।

এ আসনে তিন লাখ ২৮ হাজার ৪৬৯ ভোটের মধ্যে ভোট পড়েছে ৭৮ হাজার ৫২৪ ভোট। একেএম রেজাউল করিম তানসেন মশাল প্রতীকে ২০ হাজার ৪০৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম পেয়েছেন একতারা প্রতীকে ১৯ হাজার ৫৭১ ভোট। ভোটের ব্যবধান মাত্র ৮৩৪।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহামুদ হাসান বলেন, ‘বিধি অনুযায়ী প্রদত্ত ভোটের আটভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে ওই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়ে থাকে।’

আরও পড়ুন

×