ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র

তত্ত্বাবধায়ককে সাড়ে তিন ঘণ্টা অবরুদ্ধ রাখেন আনসার সদস্যরা

তত্ত্বাবধায়ককে সাড়ে তিন ঘণ্টা অবরুদ্ধ রাখেন আনসার সদস্যরা
×

প্রধান ফটকের সামনে আনসার সদস্যরা

টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৩ | ১৫:২৪ | আপডেট: ১৮ জুন ২০২৩ | ১৫:৫৩

দুই মাসের বেতন ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে উৎসব ভাতার (বোনাস) দাবিতে গাজীপুরের টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের (বালক) তত্ত্বাবধায়ককে সাড়ে তিন ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা। রোববার বেলা ১১টা থেকে এহিয়াতুজ্জামান নামে ওই কর্মকর্তার কক্ষের সামনে সারিবদ্ধভাবে অবস্থান নেন তারা। পরে টঙ্গী থানা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তার আশ্বাসে বেলা আড়াইটায় অবরোধ তুলে নেন আনসাররা।

বিকেলে টঙ্গীর মিলগেট এলাকার শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে (বালক) দেখা যায়, প্রধান ফটকের সামনে সারিবদ্ধ হয়ে অবস্থান নিয়েছেন ৫৫ জন আনসার। তারা সাংবাদিকদের জানান, মে মাসের বেতন পাননি। ফলে সংসার চালাতে ও ছেলেমেয়েদের স্কুলের বেতন পরিশোধের জন্য ধারদেনা করতে হচ্ছে তাদের।

মেহেদী নামে এক আনসার সদস্য বলেন, ‘গত মে ও চলতি জুন মাসের বেতন এবং ঈদ বোনাস এখন পর্যন্ত পরিশোধ করা হয়নি। বেতন বিষয়ে জানতে গেলে তত্ত্বাবধায়ক এহিয়াতুজ্জামান আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন।’ বেতন পরিশোধ নিয়ে আগেও কয়েক দফায় তিনি গড়িমসি করেছেন বলে অভিযোগ করেন অন্য কয়েকজন।

টঙ্গী থানা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘বেতনের দাবিতে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের আনসার সদস্যরা সকাল থেকে তত্ত্বাবধায়ককে অবরুদ্ধ করে রাখেন। তাঁদের সঙ্গে কথা বলেছি। দুই-এক দিনের মধ্যে বেতন পরিশোধের আশ্বাস দিয়েছি।’

বিকেলে টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের (বালক) তত্ত্বাবধায়ক এহিয়াতুজ্জামান বলেন, ‘আমি এখন অবরুদ্ধ নই। বরাদ্দ পাইনি, তাই বেতন পরিশোধ করতে পারছি না।’ বেতন পরিশোধের জন্য তাঁর কাছে ১৯ লাখ টাকা রয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় মাত্র ২২ হাজার টাকা কম। বরাদ্দের টাকা পেলেই দুয়েক দিনের মধ্যে বেতন পরিশোধ করা হবে।


আরও পড়ুন

×