ঢাকা শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

সালিশি বৈঠকে উত্ত্যক্তকারীদের পক্ষ নেওয়ায় ভাইস চেয়ারম্যান অবরুদ্ধ

সালিশি বৈঠকে উত্ত্যক্তকারীদের পক্ষ নেওয়ায় ভাইস চেয়ারম্যান অবরুদ্ধ
×

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০১৯ | ০৯:০৬

ঝালকাঠির নলছিটিতে সালিশ বৈঠকে ছাত্রী উত্ত্যক্তকারীদের পক্ষ নেওয়ায় নলছিটি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মফিজুর রহমানকে অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনা ঘটেছে।  মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের কয়া গ্রামের ভুট্টো বাজারে এ ঘটনা ঘটে। 

অভিযোগে জানা যায়, কয়া আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করা নিয়ে সালিশ বৈঠকে ভাইস চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান ওই এলাকার কবির রাঢ়ি নামে এক ব্যক্তিকে মারধর করে এবং উত্ত্যক্তকারীদের পক্ষ নেয়। এতে এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে ভাইস চেয়ারম্যান মফিজকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে রাত ১১টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ভাইস চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান কয়া আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি। 

বুধবার সকালে এ ঘটনায় ছাত্রীটির বাবা রিফাত, অপি মল্লিক, তুষার তালুকদার ও হাসান মিয়াসহ চার উত্ত্যক্তকারীর নামে নলছিটি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওই ছাত্রীকে ভাইস চেয়ারম্যান মফিজের ভাগ্নে কয়া এলাকার মুনসুর আলির ছেলে রিফাত প্রায়ই উত্ত্যক্ত করত। ২১ অক্টোবরও বিদ্যালয় চলাকালে ওই ছাত্রীকে রিফাত ও তার সহযোগীরা উত্ত্যক্ত করে। এ ঘটনায় চুন্নু মেম্বার ওই বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির কাছে বিচার চায়। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কয়া গ্রামের ভুট্টো বাজারে এ নিয়ে সালিশ বৈঠক শুরু হয়। কিন্তু ভাইস চেয়ারম্যান মফিজ উত্ত্যক্তকারী তার ভাগ্নে রিফাতের পক্ষ অবলম্বন করে। 

এতে প্রতিবাদ করায় ওই এলাকার কবির রাঢ়িকে মারধর করে ভাইস চেয়ারম্যান মফিজ। ক্ষিপ্ত হয়ে এলাকাবাসী ভাইস চেয়ারম্যান মফিজকে অবরুদ্ধ করে রাখে।

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে না থাকতে পারায় মেয়ের বাবা এলাকার ছেলেদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে। এর পরেও যদি ঘটনা সত্য হয় তবে আমি এর বিচার করব।

এ বিষয়ে নলছিটি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল হালিম বলেন, ছাত্রীটির বাবার করা সাধারণ ডায়েরি তদন্ত করে আমরা আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছি।

আরও পড়ুন

×