করোনা সংক্রমণের মধ্যেই শিবালয়ে ঈদের কেনাকাটায় ভিড় বাড়ছে
স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই শিবালয়ে ঈদের কেনাকাটা চলছে
শিবালয়(মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১২ মে ২০২০ | ০২:২৩ | আপডেট: ১২ মে ২০২০ | ০৩:১৭
করোনার সংক্রমণের মধ্যেই মানিকগঞ্জের শিবালয়ে কাপড়ের দোকানগুলোতে ভিড় বাড়ছে। দোকানপাট আবারও বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় এলাকার লোকজন আগেভাগেই ঈদের কেনাকাটা শুরু করেছেন।
উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারের কাপড়ের মার্কেটগুলো সরেজরিন ঘুরে দেখা যায়, ঈদের কেনাকাটার জন্য উপজেলার উথলী বাজার, শিবালয়, টেপড়াসহ বিভিন্ন হাট বাজারের বস্ত্র বিতান, বিপনি ও শপিংমলগুলোতে ক্রেতারদের উপচে পড়া ভিড়। কেনাকেটার ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা থাকলেও ক্রেতা-বিক্রেতারা তা মানছেন না।
এছাড়া সরকারি ভাবে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার নির্দেশ দেয়া হলেও বেশির ভাগ দোকানদারই সেই নির্দেশনার তোয়াক্কা করছেন না। প্রতিটি শপিংমলে ক্রেতাদের প্রবেশের ক্ষেত্রে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারসহ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত স্বাস্থ্য বিধি অনুসরন করতে বলা হলেও কোন শপিংমলের সামনে তা নেই। মুখে মাস্ক ছাড়া কোন ক্রেতার দোকানে প্রবেশ নিষেধ থাকলেও বেশির ভাগ ক্রেতাদের মুখে মাস্ক নেই। অনেক দোকানে বিক্রেতাদের মুখেও মাস্ক দেখা যায়নি।
এদিকে প্রতিটি শপিংমল ও বিপণি বিতাগুলোর সামনে সতর্কবানী “স্বাস্থ্য বিধি না মানলে, মৃত্যু ঝুঁকি আছে” সম্বলিত ব্যানার টানিয়ে রাখতে বলা হলেও কোন বস্ত্র বিতানের সামনে তা দেখা যায়নি। এছাড়া সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে মার্কেটের সামনে -ভিতরে মাইকিংয়েরও কোনো ব্যবস্থা দেখা যায়নি।
উপজেলার উথলী বাজারের এক বস্ত্র বিতানের মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, প্রশাসন আসার খবর তারা আগেই পেয়ে যান। প্রশাসন থেকে কেউ পরিস্থিতি পরিদর্শনে আসলে তারা দোকানের শ্যাটার বন্ধ করে দেন। চলে যাওয়ার পর ব্যবসায়ীরা আবার দোকান খুলে দেন।
উথলী বাজারের বিপনী দোকানে পরিবারের জন্য কেনাকাটা করতে আসা একাধিক ক্রেতা জানান, ঈদের আগে কাপড়ের দাম বেশি হয়। এছাড়া, করোনাভাইরাসের কারনে যদি কাপড়ের দোকান বন্ধ রাখা হয় তাহলে পরিবারের জন্য নতুন পোশাক কিনতে সমস্যা হবে। এ কারণে তারা আগেভাগেই কেনাকাটা করতে এসেছেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার এএফএম ফিরোজ মাহমুদ জানান, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কেউ বেচাকেনা করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।