ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

দপ্তরে বসে ঘুষ গ্রহণ: সেই ভূমি কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ রোববার

দপ্তরে বসে ঘুষ গ্রহণ: সেই ভূমি কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ রোববার
×

ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ের সহকারী আব্দুল কাদির মিয়া

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৪ | ২২:১৫ | আপডেট: ২৯ মার্চ ২০২৪ | ২২:২১

পাশে বসা এক লোক ৫ হাজার টাকা ধরিয়ে দিচ্ছেন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মাইজখাপন ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ের সহকারী আব্দুল কাদির মিয়ার হাতে। তিনি টাকাটা ধরে গুনে পকেটে রেখে দিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এমন একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে মঙ্গলবার উপজেলা ভূমি কার্যালয় থেকে আব্দুল কাদিরকে কারণ দর্শানোর চিঠি (শোকজ) দেওয়া হয়। শুক্রবার পর্যন্ত তিনি শোকজের জবাব দেননি।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ সমকালকে বলেন, রোববার আব্দুল কাদিরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আব্দুল হাতিমের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ রয়েছে– এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক জানান, তিনিও এমন অভিযোগ শুনেছেন। এ ধরনের অন্যায় হতে দেওয়া হবে না।

সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাকিবুল ইসলাম জানান, আব্দুল কাদিরের বিষয়ে তদন্ত করে রোববারের মধ্যে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মীর আব্দুল হাতিমকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। শোকজের জবাব এবং তদন্তের প্রতিবেদন পেলে তার বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভিডিওতে দেখা গেছে, এক সেবাগ্রহীতা বলছেন, ‘সব খারিজ তো সমান না। গরিব মানুষ, কাজটা করে দিয়ে দেন।’ জবাবে আব্দুল কাদির বলেন, ‘কথা ছিল ৬ হাজার টাকা দেবেন। কম দিতে পারবেন না। প্রয়োজনে পরে হলেও দিতে হবে।’ 

এলাকাবাসী ও সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ, আব্দুল কাদির অতিরিক্ত টাকা না দিলে কাজ তো দূরের কথা, সেবা নিতে আসা লোকদের সঙ্গে কথাও বলেন না। দুলাল মিয়া নামে একজন জানান, ২৪ শতাংশ জমি খারিজ করতে তাঁর কাছ থেকে ২৩ হাজার টাকা চেয়েছেন তিনি।

ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন, ভূমি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এলাকাবাসী আমার কাছে অনেক অভিযোগ করেছেন। তারা টাকা ছাড়া কোনো কাজই করেন না। আমি কয়েকদিন তাদের বলেছি, কাউকে যেন হয়রানি করা না হয়। কিন্তু তারা কারও কোনো কথা শোনেন না।

আরও পড়ুন

×