ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

ছেলেকে নিয়ে ঘুরতে বেরিয়ে গুলিতে প্রাণ যায় শিবলুর

মামলা নেয়নি উত্তরা ও দক্ষিণ খানের থানা

ছেলেকে নিয়ে ঘুরতে বেরিয়ে গুলিতে প্রাণ যায় শিবলুর
×

ছেলেকে কোলে নিয়ে শিবলু- সংগৃহীত ছবি

দাগনভূঞা (ফেনী) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২৪ | ২০:২৩

চার দিন অজ্ঞান থাকার পর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আবু বকর ছিদ্দিক শিবলু। কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সংঘর্ষের সময় গত ২১ জুলাই  দক্ষিণ খানের আবদুল্লাহপুর রেলগেট এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন তিনি। ২৪ জুলাই রাতে মারা গেলে পরদিন বিকেলে মরদেহ নিয়ে দাগনভূঞায় গ্রামের বাড়ি ফেরেন বড় ভাই আবদুল হাকিম বাবলু, স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার রিমাসহ স্বজনরা। দাগনভূঞা উপজেলার দক্ষিণ চাঁনপুর এলাকায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয় তাঁর মরদেহ।

শিবলুর গ্রামের বাড়িতে গিয়ে জানা যায়, রাজধানীতে এলিট পেইন্টের প্রধান কার্যালয়ে সহকারী হিসাবরক্ষক পদে কর্মরত ছিলেন তিনি। আবদুল্লাহপুর রেলগেট এলাকায় স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তান নিয়ে থাকতেন।

ইয়াকুবপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বাবলু বলেন, ‘গত ২১ জুলাই বিকেলে ছেলে ফারহানকে নিয়ে ঘুরতে বের হন শিবলু। আবদুল্লাহপুর রেলগেট এলাকায় হাঁটাহাঁটির পর তারা বসেছিলেন। গণ্ডগোল শুরু হলে বাসায় যেতে ছেলেকে নিয়ে উঠে দাঁড়ান শিবলু। এ সময় তাঁর মাথার বাঁ পাশে গুলি লাগে। আশপাশের লোকজন তাঁকে অজ্ঞান অবস্থায় স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে পাঠান। তাঁর শরীরে চার ব্যাগ রক্ত দেওয়া হয়েছিল। ২৪ জুলাই রাত আড়াইটার দিকে ডাক্তাররা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে শিবলুর জ্ঞান ফেরেনি। এ কারণে তাঁর কাছ থেকে কোনোকিছুই জানতে পারিনি।’

তিনি আরও বলেন, ওই দিন পূর্ব উত্তরা থানা এলাকায় সংঘর্ষ হচ্ছিল। তবে দক্ষিণ খান থানা এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন শিবলু। উভয় থানায় গেলেও কেউ মামলা নেয়নি। ময়নাতদন্ত ছাড়াই তাঁকে দাফন করা হয়।

আরও পড়ুন

×