ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

চবি

বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার চান ছাত্রীরা, দিলেন সেদিনের ঘটনার ব্যাখ্যা

বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার চান ছাত্রীরা, দিলেন সেদিনের ঘটনার ব্যাখ্যা
×
×

ছয় দাবিতে শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন

চবি প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ২২:৩৩ | আপডেট: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ২৩:১৭

অন্যায়ভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) বহিষ্কৃত পাঁচ ছাত্রী। এ সময় প্রক্টরের পদত্যাগ ও বহিষ্কারাদেশের প্রত্যাহারসহ ছয় দাবি জানান তারা।

আজ রোববার বিকেল চারটায় নগরীর ষোলশহর স্টেশনে এক সংবাদ সম্মেলনে করেন তারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- রওজাতুল জান্নাত, সুমাইয়া শিকদার, উম্মে হাবিবা বৃষ্টি, মাইসারা জাহান ইশা ও জান্নাতুল মাওয়া মিথিলা। সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সুমাইয়া শিকদার।

সম্মেলনে জান্নাতুল মাওয়া মিথিলা বলেন, ‘সেদিন চার পাক্ষিক ঘটনা ঘটেছিল। কিন্তু রাতে মেয়েদের হলের সামনে ভাঙচুর চালানো হয়। তবে ভাঙচুরের প্রতিবাদ জানানো মেয়েদেরকেই শুধু শাস্তির আওতায় আনা হলো। অথচ যারা ভাঙচুর করেছিলেন, যে শিক্ষার্থীরা হলের গেটে তালা দিয়েছিলেন তাদের কোনো শাস্তি দেওয়া হলো না।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘সেদিন ভাঙচুর শুরু হওয়ার সময় আমরা বারবার প্রক্টরকে কল করছিলাম। কিন্তু তিনি আমাদেরকে বলেন, আমাদের ফোন কলে আসতে তিনি বাধ্য নন, প্রভোস্টের মাধ্যমে জানাতে হবে। যে প্রক্টরিয়াল বডি আমাদেরকে নিরাপত্তা দিতে পারেনি তারাই আমাদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করে। আমাদের শেখ হাসিনার দোসরসহ নানা কটু কথা বলে। এছাড়াও প্রক্টর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মেয়েদেরকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। আমরা তার পদত্যাগ দাবি করছি।’

লিখিত বক্তব্যে ঘটনার বর্ণনা দেন সুমাইয়া শিকদার। এ সময় তিনি ছয় দফা দাবি পেশ করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এখনও কোনো বহিষ্কারাদেশ পাইনি। অথচ চবিসাসের অনলাইন পেজে আমাদের নাম প্রকাশসহ ছবি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বহিষ্কারাদেশ সত্য কিনা আমরা তাও জানি না। সত্য হলে আমরা তিন কার্য দিবসের মধ্যে এর প্রত্যাহারসহ ছয় দফা দাবি জানাচ্ছি। দাবি না মানা হলে আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করব।’

শিক্ষার্থীদের ছয় দাবি হলো- অন্যায়ভাবে করা বহিষ্কারাদেশ তিনদিনের মধ্যেই প্রত্যাহার করতে হবে এবং এই বহিষ্কারাদেশের সঙ্গে জড়িত প্রক্টরিয়াল বডি অপসারণের আগে আর কোনো বিচার প্রক্রিয়া চালানো যাবে না। হামলাকারী ছাত্রদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। সাংবাদিকতার নিয়ম-নীতি লঙ্ঘন করে মেয়েদের অনুমতি ছাড়া ভিডিও ধারণকারী এবং আশোভনীয়, নারী বিদ্বেষী আচরণকারী ‘তথাকথিত’ সাংবাদিকদের (সব সাংবাদিকদের নয়) শান্তির আওতায় নিয়ে আসতে হবে। আক্রমণ ও ভাঙচুরকারী ছাত্রদের হামলা থেকে রক্ষা করতে ব্যর্থ প্রক্টরিয়াল বডির দায় স্বীকার করতে হবে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারীদের নিয়ে অবমাননাকর ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ার কারণে প্রক্টর তানভির মোহাম্মদ হায়দার আরিফ স্যারকে ভুল স্বীকার করে পদত্যাগ করতে হবে।

আরও পড়ুন

×