ঘুষের বিনিময়ে চোরাই ফোন ছাড়ের অভিযোগ, পুলিশের ২ কর্মকর্তা ক্লোজড
ছবি: সমকাল
যশোর অফিস
প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৫ | ০৩:২৪
ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোন আটক করে ঘুষের বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে যশোরের ঝিকরগাছা থানার দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে ক্লোজ করা হয়েছে। অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তা হলেন এসআই রাজু ও এএসআই ওয়ালিদ।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাদেরকে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যাড অপস) আবুল বাশার বলেন, ওই দুই কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। সন্তোষজনক না হওয়াতে তদন্ত শেষে মৌখিকভাবে ওই দুই কর্মকর্তাকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করার নির্দেশ দেন জেলা পুলিশ সুপার রওনক জাহান।
পুলিশ সূত্র জানায়, গত ১৫ আগস্ট শার্শা ও ঝিকরগাছা থানা পুলিশ নাভারন পুরনো বাজারের ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ী সাইফুলের দোকানে অভিযান চালিয়ে ৫৩টি ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। অভিযোগ উঠে লেন্টু নামে এক ব্যক্তির মধ্যস্থতায় পুলিশ মোটা অঙ্কের টাকা ও দুটি ফোন হাতিয়ে নিয়ে সাইফুলকে ছেড়ে দেয়। এরপর গত রোববার দুপুরে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ‘ক’ সার্কেলের নেতৃত্বে ডিবি পুলিশ পুনরায় সাইফুলের দোকানে অভিযান চালায়। এ সময় সাইফুলকে আটক করা হয় এবং তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বাড়ি থেকে ৪৪টি ভারতীয় চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। পরে আটক সাইফুলকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি চোরাই ফোন বিক্রির কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।
স্থানীয়রা জানান, যশোর-বেনাপোল সড়কের নাভারন পুরোনো বাজারের ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলামের কাছ থেকে এর আগেও পুলিশের বিরুদ্ধে সাদা পোশাকে সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় চোরাকারবারিদের কাছ থেকে অর্থনৈতিক সুবিধা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।
- বিষয় :
- পুলিশ
- ঘুষ
- ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ
- যশোর
