ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

অটোরিকশার সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে রাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু 

অটোরিকশার সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে রাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু 
×

ইফতেখারুল ইসলাম ফামিন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি 

প্রকাশ: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ১০:২৩ | আপডেট: ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ১০:৪০

সড়ক দুর্ঘটনায় ইফতেখারুল ইসলাম ফামিন নামে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী মারা গেছেন। মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিনোদপুর কাঁচাবাজার এলাকায় ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ফামিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তাঁর বাসা কিশোরগঞ্জ জেলায়। 

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বিনোদপুরের কাঁচাবাজার এলাকার সামনে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে অটোরিকশা ইউটার্ন নিতে গেলে মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের পেছনের আরোহী ইফতেখারুল ইসলাম ফামিন ছিটকে পড়লে মাথায় আঘাত পান। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী সুফিয়ান সিফাত বলেন, ‘রাস্তা ফাঁকা ছিল। মোটরসাইকেলে ছিলেন চালক ও ইফতেখারুল। আশেপাশে যেহেতু কোনো স্পিড ব্রেকার ছিল না, তাই মোটরসাইকেলের গতি স্বাভাবিক ছিল। কাঁচাবাজারের সামনে হঠাৎ একটি অটোরিকশা ইউটার্ন নিতে গেলে মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। রিকশাটি হঠাৎ সামনে চলে আসায় ব্রেক করার সুযোগ হয়নি। এতে মোটরসাইকেলের পেছনে থাকা ইফতেখারুল রিকশার ওপর দিয়ে ১০ মিটার দূরে গিয়ে ছিটকে পড়েন। প্রচণ্ড আঘাত পেয়ে তাঁর মাথা থেকে রক্ত বের হতে থাকে। মোটরসাইকেল চালক ও রিকশাওয়ালার তেমন কিছু হয়নি। রিকশাটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসতে দেরি হয়েছে। ইফতেখারুল ১০ থেকে ১৫ মিনিট ঘটনাস্থলেই পড়ে ছিলেন।’

শফিকুল ইসলাম নামের এক অটোরিকশা চালক বলেন, ‘সম্পূর্ণ দোষ রিকশাওয়ালার। উল্টোদিকে ইউটার্ন নিতে গিয়েই এ ঘটনা ঘটে। মাথায় আঘাত পেয়ে ইফতেখারুলের নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বের হতে থাকে। সম্ভবত ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন তিনি।’ 

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, ‘ঘটনাস্থল থেকে অচেতন অবস্থায় ওই শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত শিক্ষার্থীর লাশ হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে। তাঁর পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছে। গাড়ি প্রস্তুত আছে। লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’

আরও পড়ুন

×