ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

আবাসনের নামে জলাশয় ভরাট করায় পরিবেশ ধ্বংস হচ্ছে

আবাসনের নামে জলাশয় ভরাট  করায় পরিবেশ ধ্বংস হচ্ছে
×

.

 বরিশাল ব্যুরো 

প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ০৮:১৪

বরিশাল নগরীতে একের পর এক পুকুর-জলাশয় ভরাট হচ্ছে। এ ব্যাপারে প্রশাসন নির্বিকার। আবাসন সংকটের অজুহাত দেখিয়ে পরিবেশ ধ্বংস করা হচ্ছে। নগরীতে একসময় জলাশয়ের অস্তিত্ব থাকবে না। গতকাল বৃহস্পতিবার পুকুর-জলাশয় রক্ষাবিষয়ক নাগরিক সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেছেন।
নগরীর বিডিএস মিলনায়তনে বরিশাল বিভাগীয় পরিবেশ ও জনসুরক্ষা ফোরামের আয়োজনে এ সংলাপ হয়। পরে পুকুর-জলাশয় রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবিতে জেলা প্রশাসকের দপ্তরে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। 

সংলাপে বক্তারা বলেন, জলাশয় রক্ষার জন্য পরিবেশবাদীদের আন্দোলনে নামতে হবে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আইনের ফাঁকফোকর দেখিয়ে ও প্রশাসন ম্যানেজ করে ভরাট সম্পন্ন হয়। সিটি করপোরেশন কিছু পুকুরের চারপাশ বাঁধাই করে ওয়াকওয়ে করেছে। সেগুলো রক্ষা পেলেও পুকুর নিজস্ব সত্তা হারিয়েছে। জনগণ পুকুরে কংক্রিটের উন্নয়ন চায় না। 
উন্নয়ন সংগঠক রণজিৎ দত্ত বলেন, নগরীতে খাল রক্ষায় নানা প্রকল্প নেওয়া হয়। তবে সঠিক পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যবস্থা না নেওয়ায় আমরা উন্নয়ন বঞ্চিত হচ্ছি। আইসিডিএর নির্বাহী পরিচালক কাজী নওসাদ বলেন, গত বছর সরকার পতনের পর থেকে নগরের বর্ধিত অংশে বিস্তীর্ণ এলাকা ভরাট করা হচ্ছে। এতে কোনো জলাশয়ের অস্তিত্ব থাকবে না। 

বেলার জেলা সমন্বয়কারী লিংকন বায়েন বলেন, জলাশয় ভরাটের খবর জানানো হলে সিটি করপোরেশন ও পরিবেশ অধিদপ্তর লোকবল সংকটের অজুহাত দেখায়। নগরের কাউনিয়া প্রথম গলিতে একটি পুকুর ভরাট শুরু হলে সে কাজ বন্ধ ও মামলা করা হয়। তার পরও দুই দপ্তরের উদাসীনতায় পুকুরটি রক্ষা করা যায়নি। আরোহীর নির্বাহী পরিচালক খোরশেদ আলম বলেন, জনসচেতনতা ছাড়া পুকুর-জলাশয় রক্ষা হবে না। 
প্রান্তজনের নির্বাহী পরিচালক এসএম শাহজাদার সভাপতিত্বে সংলাপে সনাকের কাজী সেলিনা, অধ্যাপিকা টুনু রানী, অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম খোকন, অ্যাডভোটেক সুভাষ দাসসহ অনেকে বক্তৃতা করেন।

আরও পড়ুন

×