ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

শেরপুরে অনুষ্ঠিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়

শেরপুরে অনুষ্ঠিত বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
×

অতিথিদের সঙ্গে বিজয়ী বিতার্কিকরা

শেরপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ১৮:০৯ | আপডেট: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ১২:৪৫


বিতার্কিকদের একপক্ষের যুক্তি– নজরদারির ঘাটতিতেই পলিথিন উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অসংখ্য মানুষ। আইন প্রয়োগ করে উৎপাদন বন্ধ করলেই বাজারে আসা বন্ধ হবে পলিথিন। অন্য দলের পাল্টা যুক্তি–  বিগত দেড় যুগ ধরে জরিমানা করা হয়েছে, জব্দ করা হয়েছে পলিথিন। কিন্তু ব্যবহার বন্ধ হয়নি। সহজ বিকল্প আনতে হবে এবং ভোক্তাদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। তবেই পলিথিন ব্যবহার কমে আসবে। দুই পক্ষের তর্কের এমন লড়াই মিলনায়তনে উপস্থিত শিক্ষক- শিক্ষার্থীরা মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনছিলেন।

আজ (২৫ সেপ্টেম্বর) শেরপুরে বিএফএফ-সমকাল জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবের আসর বসে জেলার সবচেয়ে বড় মাদরাসা ইদ্রিসিয়া কামিল মাদ্রাসা মিলনায়তনে। প্রতিযোগিতায় জেলা পর্যায়ে আটটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হয় শেরপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। রানার্সআপ নবারুণ পাবলিক স্কুল দল। শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হয় জয়ী দলের দলনেতা ইবসার হোসেন আর্থি।

অংশগ্রহণকারী অন্য দলগুলো হলো– শেরপুর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ, পুলিশ লাইনস একাডেমি ফর ক্রিয়েটিভ এডুকেশন, ইদ্রিসিয়া কামিল মাদরাসা, নবারুণ পাবলিক স্কুল, গোবিন্দ কুমার  (জিকে) পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও ছনকান্দা ডা. এমটি হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়।

সকালে উৎসবের উদ্বোধন করেন অধ্যক্ষ মাওলানা মো. ফজলুর রহমান। সুহৃদ সভাপতি শিক্ষাবিদ  মো. বরকতুল্লাহর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শুভঙ্কর সাহা ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রজত সাহা অন্তুর সঞ্চালনায় অতিথি ছিলেন শেরপুর সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক বিশিষ্ট তার্কিক মো. আব্দুল কাদের। বিতর্কে দুই পর্বে মডারেটর ছিলেন লেখক ও সাংবাদিক হাকিম বাবুল। অন্য দুই বিচারক ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতার্কিক জায়েদ হাসান ও শেরপুর সরকারি কলেজ ডিবেট ক্লাবের তার্কিক মাসুমা মুস্তারিন। সহযোগিতায় ছিলেন জেলা সুহৃদ  সহসভাপতি গণমাধ্যমকর্মী শান্ত রায়। 

দ্বিতীয় পর্ব পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষাবিদ ও জনউদ্যোগ আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ। তিনি বলেন, বিতর্ক অসংকোচ প্রকাশের উত্তম মাধ্যম। বিতর্ক করে তার্কিকরা  ন্যায়, সত্য প্রকাশে দুরন্ত ও সাহসী হয়ে ওঠে। বিগত ১১ বছরে সমকালের এ আয়োজন দেশে হাজারো যুক্তিবাদী শিক্ষার্থী গড়ে তুলেছে।
 
 

আরও পড়ুন

×