কুমিল্লায় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ
চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের সঙ্গে অতিথি ও সুহৃদরা
কুমিল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ২০:১৬ | আপডেট: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ১২:৪৮
‘বিতর্ক মানেই যুক্তি, বিজ্ঞানে মুক্তি’ প্রতিপাদ্যে বিএফএফ-সমকাল জাতীয় বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবের জেলা পর্যায় প্রতিযোগিতা শনিবার (২৭ সেপ্টম্বর) কুমিল্লার ভাষাসৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কুমিল্লা কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ। রানার্সআপ হয়েছে নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় দল। শ্রেষ্ঠ বিতার্কিক নির্বাচিত হন রানার্সআপ দলের দল নেতা তাসপিয়া আক্তার আলো।
অংশ নেওয়া অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো– কুমিল্লা জিলা স্কুল, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড সরকারি মডেল কলেজ, ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও আওয়ার লেডি অব ফাতিমা গালর্স হাইস্কুল।
সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়ছার। বিশেষ অতিথি ছিলেন ভাষাসৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. শরিফুল ইসলাম ও কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিন লিটন। এর আগে সকালে উদ্বোধনী ফিতা কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ভাষাসৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. শরিফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক জনকণ্ঠের কুমিল্লা প্রতিনিধি মীর শাহ আলম।
অনুষ্ঠানে মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন অভিজিৎ রায়। বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন আরাফাত হোসেন সামী, মোফাজ্জল হোসেন মুজাহিদ ও নাজমুস সাকিব। অনুষ্ঠানে দৈনিক সমকালের মুরাদনগর উপজেলা প্রতিনিধি বেলাল উদ্দিন আহমেদ ও দেবিদ্বার উপজেলা প্রতিনিধি সৈয়দ খলিলুর রহমান বাবুল ও ফটো সাংবাদিক এন কে রিপনসহ অংশগ্রহণকারী বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। উৎসবের সার্বিক সমন্বয় করেন সমকালের কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি মো. কামাল উদ্দিন।
পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়ছার বলেন, বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া প্রতিটি দলই ভালো যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেছে। কোন দল চ্যাম্পিয়ন কিংবা রানার্সআপ হয়েছে এটা বড় কথা নয়; আমার মতে সবাই চ্যাম্পিয়ন। আমরা প্রায়ই দেখি অভিভাবকরা সন্তানদের জিপিএ৫ নিয়েই বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়েন। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল মেধা বিকাশে আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি। অথচ বিতর্ক প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদর মেধা বিকাশে এক অনন্য ভূমিকা রাখছে। সমকালের এ উদ্যোগ সত্যই প্রশংসনীয়। সব বিতার্কিকের জন্য রইল শুভ কামনা।
