ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

সড়কের খানাখন্দে বৃষ্টির পানি জমে যান চলাচল ব্যাহত

সড়কের খানাখন্দে বৃষ্টির পানি জমে যান চলাচল ব্যাহত
×

খানাখন্দে ভরা বাঞ্ছারামপুর-হোমনা সড়কে জমে আছে বৃষ্টির পানি। ছবি: সমকাল

বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ১০:২৮ | আপডেট: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ১২:১৮

বাঞ্ছারামপুর-হোমনা আঞ্চলিক সড়কটির সংস্কার দীর্ঘদিন না হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে গর্ত হয়ে বৃষ্টির পানি জমে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। এসব খানাখন্দের কারণে দুর্ঘটনায় আহত হচ্ছেন যাত্রীরা। এই রাস্তার কারণে দুর্ভোগে আছেন তিন উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাঞ্ছারামপুর সদর থেকে হোমনা হয়ে গৌরীপুরের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে এলাকার মানুষ। বাঞ্ছারামপুর থেকে হোমনার দূরত্ব ১৩ কিলোমিটার; গৌরীপুরের দূরত্ব ৩০ কিলোমিটার। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বাঞ্ছারামপুর ছাড়াও তিতাস, হোমনা, মুরাদনগর উপজেলার হাজারো মানুষ কড়িকান্দি ফেরি পার হয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় যাতায়াত করে। হোমনা-বাঞ্ছারামপুর সড়কের বিভিন্ন জায়গায় খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে এসব জায়গায় পানি জমে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ভাঙাচোরা সড়ক ও পানি জমে থাকায় ঘটছে দুর্ঘটনা।

গতকাল রোববার সরেজমিন দেখা যায়, সড়কের অনেক স্থানে পিচ-ঢালাই উঠে মাটি বেরিয়ে গর্ত তৈরি হয়েছে। বৃষ্টির দিনে সড়কের গর্তগুলো পানিতে ডুবে থাকায় চলাচলকারী গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হয়ে থাকে। সড়কের দুই পাশে উঁচু। বৃষ্টির পানি বের হওয়ার কোনো উপায় নেই। 

অটোরিকশার যাত্রী সোলেমান মিয়া জানান, প্রায় দিনই কাজের জন্য ঢাকায় যেতে হয়। সড়কের এমন বেহাল অবস্থায় গাড়ি চলতে চায় না; সময় লাগে দ্বিগুণ। দুর্ঘটনার ভয় সবসময় কাজ করে।

অটোরিকশা চালক মিঠু মিয়া বলেন, ‘গর্তে পড়েই গাড়ির যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে। এতে খরচ বাড়ছে, অথচ কোনো কর্তৃপক্ষের নজর নেই।’

স্থানীয় ব্যবসায়ী ফারুক মিয়া অভিযোগ করেন, এই সড়ক দিয়ে পণ্য পরিবহন করা কষ্টসাধ্য হয়ে গেছে। ব্যবসার ক্ষতি হচ্ছে, কিন্তু সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ।

বাঞ্ছারামপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সিদ্দিকুর রহমান জানান, রাস্তার পাশে পানি নামার জায়গা নেই। এ কারণে পানি জমে এসব জায়গায় সমস্যা হচ্ছে। রাস্তার পানি সরানোর ব্যবস্থা করলেও গ্রামবাসী তা বন্ধ করে দেয়। এতে পানি জমে যান চলাচলে সমস্যা হয়। 

আরও পড়ুন

×