ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

সম্প্রীতির বন্ধনে পাহাড়ে একসঙ্গে থাকতে চাই: পার্বত্য উপদেষ্টা

সম্প্রীতির বন্ধনে পাহাড়ে একসঙ্গে থাকতে চাই: পার্বত্য উপদেষ্টা
×

ছবি: সমকাল

রাঙামাটি অফিস

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৫ | ২২:১৫

সম্প্রীতির বন্ধনের মধ্য দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে আমরা একসঙ্গে থাকতে চাই বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা। তিনি বলেন, কাউকে ধর্মীয়, সামাজিক বা অন্য কোনোভাবে বঞ্চিত করা ঠিক না। ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সবার অংশগ্রহণ করা দরকার এবং আমাদের সম্প্রীতিতে থাকা দরকার। সম্প্রীতির বাইরে কোনকিছু নেই। আমাদের সম্প্রীতির বন্ধনে থাকতে হবে।

শুক্রবার রাঙামাটিতে বৌদ্ধদের প্রধান সামাজিক উৎসবের দুই দিনব্যাপী কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। রাঙ্গাপানির মিলন বিহারের ৫১তম ও প্রথম সন্মিলিত জাতীয় কঠিন চীবর দান উৎসব কমিটি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় ফিতা কেটে শহরের রাঙ্গাপানিসহ কান্ত চাকমা মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পার্বত্য উপদেষ্টা। পরে বেইন ঘর উৎস্বর্গ বুদ্ধমূর্তিদান, অষ্টপরিষ্কার দান, পঞ্চশীল প্রার্থনা, হাজার প্রদীপ দান, সুত্রপাঠ, ধর্মীয় দেশনা, তুলা উৎসর্গসহ নানাবিধ দান করা হয়। পঞ্চশীল প্রার্থনা দেন মিলন বিহারের অধ্যক্ষ শাসনা প্রিয় মহাথেরো। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টার সহধর্মীনি নন্দিতা চাকমা, রাঙামাটি পার্বত্য উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কাজল তালুকদার, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টির ট্রাস্টি ভবেশ চাকমা, মোনঘর শিশু সদন পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কীর্তিনিশান চাকমা, সন্মিলিত জাতীয় কঠিন চীবর দান উৎসব আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক রণজ্যোতি চাকমা, সদস্য সচিব আশোক কুমার চাকমা, সংগীত শিল্পী রন্জিত দেওয়ান প্রমুখ। পরে উপদেষ্টা বেইন ঘর ঘুরে দেখেন ও ফানুস উত্তোলন করেন।

আয়োজক কমিটি জানায়, মহাপূর্নবতী বিশাখার প্রবর্তিত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চরকার মাধ্যমে তুলা থেকে সূতা করার পর বেইনের মাধ্যমে কাপড় তৈরি করা হবে। এরপর কাপড় সেলাই করে আজ শনিবার দুপুরে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে ভিক্ষু সংঘের উদ্দেশ্য সেই চীবর দান করা হবে।

আরও পড়ুন

×