ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

দাকোপে ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামতে স্বস্তি গ্রামবাসীর

দাকোপে ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামতে স্বস্তি গ্রামবাসীর
×

ছবি: ফোকাস বাংলা

দাকোপ (খুলনা) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৫ | ২২:২৬

খুলনার দাকোপের বটবুনিয়া বাজারে নদীতে বিলীন হওয়া বাঁধের অংশ মেরামত করায় এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। শুক্রবার দুপুরে জোয়ারের আগেই বাঁধের ভেঙে যাওয়া অংশ মেরামত করে পাউবো। এতে প্লাবিত হওয়া ছয় গ্রামের বাসিন্দা ঘরে ফিরতে শুরু করেছেন।

গত ৭ অক্টোবর মঙ্গলবার গভীর রাতে পাউবোর ৩১ নম্বর পোল্ডারের তিলডাঙ্গা ইউনিয়নের বটবুনিয়া বাজারের পশ্চিম পাশে হরিসভা মন্দিরের সামনে ২০০ মিটার বেড়িবাঁধ ভেঙে যায়। পরদিন ভাটা চলাকালে পাউবোর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বাঁধটি মেরামতের কাজ শুরু করে। এক পর্যায়ে নদীতে জোয়ার আসার আগেই ভেঙে যাওয়া ওই বাঁধ সংস্কার করে পানি ঢোকা বন্ধ করা হয়। কিন্তু বুধবার রাতেই ঢাকি নদীর প্রবল জোয়ারের তোড়ে আবারও বাঁধটি নদীতে বিলীন হয়। এতে বটবুনিয়া, তেঁতুলতলা, ঝালবুনিয়া, মোজামনগর, গড়খালী ও হোমাখালী গ্রাম প্লাবিত হয়ে প্রায় ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েন। 

এতে গ্রামগুলোর কয়েকশ পুকুর ও ঘের ভেসে যায়। তলিয়ে যায় সাড়ে তিনশ হেক্টর জমির আমন ফসল। অবশেষে শুক্রবার দুপুরে ভেঙে যাওয়া স্থানে বালুভর্তি টিউব ব্যাগ, জিও ব্যাগসহ অন্যান্য সামগ্রী ব্যবহারের মাধ্যমে পানি আটকাতে সক্ষম হয় পাউবোর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে সেখানে বাঁধের ওপর মাটি ফেলার কাজ চলছে।

পাউবো নিযুক্ত ঠিকাদার আবদুল মতিন জানান, জোয়ার আসার আগেই বাঁধটি আটকিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে। খরস্রোতা ঢাকি নদীর প্রবল জোয়ারের হাত থেকে বাঁধটি রক্ষার্থে এখন প্রয়োজনীয় মাটির চাহিদা রয়েছে। বাঁধটি টেকসই করতে স্থানীয় জমির মালিকসহ সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি। 

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গাজী জালাল উদ্দিন জানান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বাঁধের ভেঙে যাওয়া অংশ মেরামত করতে সক্ষম হওয়ায় এখন গ্রামবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। অনেকেই তাদের বসতঘরে ফিরতে শুরু করেছেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম জানান, বিভিন্ন সরঞ্জাম ব্যবহার করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বাঁধের ভেঙে যাওয়া অংশে পানি আটকাতে সক্ষম হয়েছে। এতে লোকালয়ে পানি ঢোকা বন্ধ হয়েছে। মেরামত করা অংশ টেকসই করতে বর্তমানে বাঁধের ওপর মাটির কাজ চলছে।

আরও পড়ুন

×