স্বামী-সন্তানসহ মোটরসাইকেলে বান্দরবান যাওয়ার পথে বাসচাপায় প্রাণ গেল নারীর
মোছা. ফাজিলাতুন্নেছা
পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৩ নভেম্বর ২০২৫ | ১৪:২৩ | আপডেট: ০৩ নভেম্বর ২০২৫ | ১৪:২৮
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়ায় বাসচাপায় মোছা. ফাজিলাতুন্নেছা (৩০) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। মাগুরা থেকে বান্দরবানে ঘুরতে যাওয়ার পথে সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ফাজিলাতুন্নেছা মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর উপজেলার মহেষপুর ইউনিয়নের পলাশবাড়ি গ্রামের প্রকৌশলী ও পিডিবি কর্মকর্তা আলিমুজ্জামান সুজনের স্ত্রী।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, আলিমুজ্জামান সুজন স্ত্রী ও ছয় বছর বয়সী ছেলে উম্মায়েদ হাম্মাদকে নিয়ে মোটরসাইকেলে চড়ে মাগুরা থেকে বান্দরবানের উদ্দেশে যাত্রা করেন। রোববার রাতে তারা চট্টগ্রাম শহরের বহদ্দারহাট খাজারোড এলাকায় এক বন্ধুর বাসায় অবস্থান করেন। সোমবার সকালে বান্দরবানের উদ্দেশে আবার রওনা হন। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়া উপজেলার নয়াহাট এলাকায় পৌঁছালে একটি লেগুনার সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর ফাজিলাতুন্নেছা মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কের মাঝখানে পড়েন। তখন পেছন দিক থেকে আসা ‘লন্ডন এক্সপ্রেসের একটি দ্রতগতির চেয়ারকোচ তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার সময় মোটরসাইকেলে থাকা ছেলে উম্মায়েদ রাস্তার পাশে পড়ে গিয়ে প্রাণে বেঁচে যায়। তবে পিডিবি কর্মকর্তা সুজনের ডান হাতে আঘাত লাগে। খবর পেয়ে পটিয়া ক্রসিং হাইওয়ে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
আলিমুজ্জামান সুজন বলেন, ‘কয়েকদিনের ছুটি নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে পরিবার নিয়ে বান্দরবানে বেড়াতে যাচ্ছিলাম। শনিবার মাগুরা থেকে রওনা দেই, রোববার রাতে বন্ধুর বাসায় থাকি। সোমবার সকালে বান্দরবানের উদ্দেশে আবার রওনা দেই। পটিয়ার নয়াহাটে পৌঁছাতেই দুর্ঘটনা ঘটে। চোখের সামনে সব শেষ হয়ে গেল।’
পটিয়া ক্রসিং হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসীম উদ্দিন বলেন, ‘দুর্ঘটনার পর বাসটি নিয়ে চালক পালিয়ে যায়। আমরা গাড়ি ও চালককে শনাক্তের চেষ্টা করছি।’
- বিষয় :
- বাসচাপায় নিহত
- পটিয়া
- সড়ক দুর্ঘটনা
- বান্দরবান
