ঢাকা বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যা মামলা

ওসি প্রদীপসহ ৭ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

ওসি প্রদীপসহ ৭ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত
×

প্রদীপ কুমার দাশ- সংগৃহীত ছবি

কক্সবাজার অফিস

প্রকাশ: ০৭ আগস্ট ২০২০ | ১০:৫২ | আপডেট: ০৭ আগস্ট ২০২০ | ১১:৫৫

কক্সবাজারে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার আসামি টেকনাফ থানা পুলিশের সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশসহ সাতজন পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বরখাস্ত হওয়া অন্যরা হলেন- টেকনাফের বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদ্য সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলী, এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত, এএসআই লিটন মিয়া, কনস্টেবল কামাল হোসেন, সাফানুর করিম ও আব্দুল্লাহ আল মামুন।

শুক্রবার রাতে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার (এসপি) এবিএম মাসুদ হোসেন সমকালকে এ তথ্য জানান। তিনি জানান, ওসি প্রদীপ ও এসআই লিয়াকতকে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এবং বাকীদের কক্সবাজারের এসপি বরখাস্ত করেন।

এর আগে গত ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এলাকায় চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান।

ঘটনার পর কক্সবাজার পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, রাশেদ তার পরিচয় দিয়ে 'তল্লাশিতে বাধা দেন'। পরে 'পিস্তল বের করলে' চেকপোস্টে দায়িত্বরত পুলিশ তাকে গুলি করে। তবে পুলিশের এমন ভাষ্য নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন ওঠে। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহত সাবেক সেনা কর্মকর্তার এক সঙ্গীর বক্তব্যের সঙ্গে পুলিশের ভাষ্যের কিছুটা অমিল রয়েছে বলে একটি সূত্র জানায়। এমন প্রেক্ষাপটে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে উচ্চ পর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এ ঘটনায় বুধবার সকালে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ পুলিশের ৯ সদস্যের বিরুদ্ধে কক্সবাজারের আদালতে মামলা করেন সিনহা রাশেদের বোন শারমিন শাহরিয়া। আদালতের নির্দেশে বুধবার রাতেই মামলাটি টেকনাফ থানায় নথিভুক্ত হয়।

এরপর বৃহস্পতিবার কক্সবাজারে আদালতে আত্মসমর্পণ করেন ওসি প্রদীপসহ ৭ পুলিশ সদস্য। পরে র‌্যাবের তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনে তাদের ৭ দিনের করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

আরও পড়ুন

×