স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসিনা খান চৌধুরীর কর্মী-সমাবেশ
কর্মী সমাবেশে বক্তব্য দেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসিনা খান চৌধুরী
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ | ০৮:১৮
| প্রিন্ট সংস্করণ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসিনা খান চৌধুরীর পক্ষে কর্মী-সমাবেশ করা হয়েছে। গতকাল শনিবার মোয়াজ্জেমপুর গ্রামে প্রার্থীর নিজ বাড়ির প্রাঙ্গণে এই সমাবেশ করা হয়েছে।
এর আগে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসিনা খান চৌধুরী সড়ক পথে ঢাকা থেকে কানুরামপুর বাসস্ট্যান্ডে এসে পৌঁছালে কর্মী-সমর্থকরা তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। এরপর তাঁকে বহন করা গাড়ি নিয়ে সমাবেশস্থলে যান নেতাকর্মীরা। হাসিনা খান চৌধুরী চারবারের সংসদ সদস্য খুররম খান চৌধুরীর স্ত্রী। এবারই প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন তিনি।
গতকাল শনিবার বিকেলে ৫টার দিকে আশরাফ চৌধুরী ওয়েলফেয়ার স্ট্রাস্টের মাঠে কর্মী-সমাবেশটি হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মনোনয়নবঞ্চিত মেজর জেনারেল (অব.) আনোয়ারুল মোমেন। শুরুতেই হাসিনা খান চৌধুরীকে ফুলের তোড়া দিয়ে অভ্যর্থনা জানান সাবেক মেয়র এ এফ এম আজিজুল ইসলাম পিকুলসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতাকমীরা। এরপর পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া সমাবেশের শুরুতেই আজিজুল ইসলাম পিকুল বলেন, হাসিনা খান চৌধুরীর মার্কা হাঁস। এই হাঁস প্রতীককে জয়যুক্ত করতে সবাইকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে, ঝিমিয়ে পড়লে হবে না। তিনি বলেন, ধানের শীষ নিয়ে যিনি নির্বাচন করছেন, তিনি বিএনপির কেউ না। তাঁর দ্বারা মানুষের কোনো মঙ্গল হবে না। বিএনপি প্রার্থী জয়যুক্ত হলে বিগত দিনে আওয়ামী লীগ যেভাবে নির্যাতন করেছে, আগামীতে আমাদের সবাইকে সেভাবে নির্যাতনের শিকার হতে হবে।
সমাবেশে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন প্রার্থী হাসিনা খান চৌধুরীর ছেলে নান্দাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির সদস্য লন্ডন প্রবাসী নাসের খান চৌধুরী। তিনি বলেন, তিনি (নাসের খান চৌধুরী) মনোনয়ন চেয়েছিলেন, কিন্তু দল তাঁকে দেয়নি। তাই সবার কথা রাখতে গিয়ে তিনি তাঁর মাকে স্বতন্ত্র প্রার্থী করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার বাবা দীর্ঘদিন নান্দাইলের সংসদ সদস্য ছিলেন, আপনাদের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন। এবার
আমার মাকে প্রার্থী হিসেবে আপনাদের হাতে তুলে দিলাম। আমার মায়ের হাঁস মার্কা যাতে জয়যুক্ত হয় সেজন্য সবাইকে কাজ করতে হবে।’
হাসিনা খান চৌধুরী বলেন, তাঁর স্বামী দীর্ঘদিন সংসদ সদস্য ছিলেন। সর্বক্ষণ নান্দাইলবাসীর ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করে গেছেন, এ জন্য নিজের ছেলেমেয়েদেরও সময় দিতে পারেননি। তাদের মানুষ করেছেন তিনি নিজে। তিনি বলেন, তাঁর মরহুম স্বামী কখনও কারও প্রতি কোনো খারাপ আচরণ করেননি, কারও মনে কখনও আঘাত দেননি। তাঁর স্বামীর অসম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করতেই প্রার্থী হয়েছেন তিনি। এ জন্য হাঁস মার্কাকে জয়যুক্ত করতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
- বিষয় :
- কর্মী সম্মেলন