ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

হবিগঞ্জ-৪ আসন

ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ চা শ্রমিকরা

ধানের শীষের পক্ষে  ঐক্যবদ্ধ চা শ্রমিকরা
×

মাধবপুরের নোয়াপাড়া চা বাগানে গতকাল ধানের শীষের গণসংযোগে সৈয়দ শাফকাত আহমেদ সমকাল

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৮:৩৯

| প্রিন্ট সংস্করণ

আর মাত্র ৩ দিন পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই জমে উঠছে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের নির্বাচনী আমেজ। বিশেষ করে এ আসনের ২৩টি চা বাগানে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। দীর্ঘদিন পর চা শ্রমিকদের মধ্যে এমন প্রাণচাঞ্চল্য ও রাজনৈতিক উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। এবারের নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ সৈয়দ মো. ফয়সল এবং তাঁর দুই ছেলে চা শ্রমিক কান্ডারি সৈয়দ শাফকাত আহমেদ ও ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদের ধারাবাহিক গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও প্রতিশ্রুতিতে চা বাগান এলাকায় নতুন রাজনৈতিক জোয়ার তৈরি হয়েছে। তাদের প্রচারের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, সুপেয় পানি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন।
স্থানীয় চা শ্রমিক বাসিন্দারা জানান, অতীতের কোনো নির্বাচনে চা বাগানে ধানের শীষের পক্ষে এত ব্যাপক সাড়া দেখা যায়নি। এবারের প্রচারে প্রার্থী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা সরাসরি শ্রমিকদের পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে কথা বলছেন, তাদের সমস্যার কথা শুনছেন এবং সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। এতে শ্রমিকদের মধ্যে আস্থা তৈরি হয়েছে এবং তারা ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। তাদের মতে, আলহাজ সৈয়দ মো. ফয়সল ও তাঁর দুই ছেলে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বাগানের দুর্গম এলাকায় ধারাবাহিক প্রচার চালিয়েছেন।

এ বিষয়ে সরেজমিন তেলিয়াপাড়া চা বাগানে গিয়ে কথা হয় নারী শ্রমিক শেফালি সাঁওতালের সঙ্গে। তিনি বলেন, এ বছর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী সৈয়দ মো. ফয়সল এবং তাঁর দুই ছেলে সৈয়দ শাফকাত ও সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ আমাদের পাড়া-মহল্লা ঘুরে ঘুরে ধানের শীষে ভোট চেয়েছেন। তারা আমাদের কথা মন দিয়ে শুনেছেন। তাই আমরা সব ভেদাভেদ ভুলে এক হয়ে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। চানপুর চা বাগানের নারী নেত্রী খায়রুন আক্তার বলেন, এবার ধানের শীষের প্রচারে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক নিরাপত্তা ও চা শ্রমিকদের সার্বিক জীবনমান উন্নয়ন। 
গতকাল শনিবার সকালে নোয়াপাড়া চা বাগানে গণসংযোগকালে চা শ্রমিক কান্ডারি সৈয়দ শাফকাত আহমেদ বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও চা শ্রমিকদের ভাগ্যের তেমন কোনো উন্নতি হয়নি। তারা এখনও চরম দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে আছেন। অথচ তারা অত্যন্ত কর্মঠ। সামান্য সহযোগিতা পেলে তারা দেশের দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত হতে পারেন। 

আরও পড়ুন

×