পটিয়ায় ভোট বাণিজ্যের অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর
ছবি-সংগৃহীত
পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৮:০৭
চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, নগদ অর্থ বিতরণ এবং রেশন কার্ড দেওয়ার কথা বলে ভোট প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার দুপুরে পটিয়া পৌর সদরের একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী ডা. মো. ফরিদুল আলম।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ডা. ফরিদুল আলম দাবি করেন, একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে পটিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়নে ভোটারদের হুমকি দিচ্ছে। বিশেষ করে সাধারণ ভোটার ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রকাশ্যে নগদ টাকা বিতরণ করে ভোট কেনার চেষ্টা চলছে। স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড বা রেশন কার্ড দেওয়ার শর্ত হিসেবে নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। ভয়ভীতির কারণে অনেক ভোটার, বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ কেন্দ্রে যেতে ভয় পাচ্ছেন।
সুষ্ঠু পরিবেশের দাবি করে ডা. ফরিদুল আলম বলেন, ‘ভোটাধিকার নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। এই অধিকারে যারা হস্তক্ষেপ করছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।’ তিনি প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। পাশাপাশি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সকল ভয়ভীতি ও প্রলোভন উপেক্ষা করে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াত প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট শাহজাহান মুহাম্মদ মহিউদ্দীন, জামায়াত নেতা গাজী আসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমির জসিম উদ্দিন, পৌরসভা আমির সেলিম উদ্দিন, অ্যাডভোকেট সুমন, হাসমত আলী, উপজেলা শিবির সভাপতি মাহবুব উল্লাহ্, উপজেলা জামায়াত সেক্রেটারি আনোয়ার হোসেন, পৌরসভা জামায়াত সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, নজরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক, এলডিপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার আব্দুর রশিদ, জামাল উদ্দিন, মাহবুব হোসেন, দেলোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
