সংসদ নির্বাচন
যশোর-৪ আসনে জামানত হারালেন ৬ প্রার্থী
নওয়াপাড়া (যশোর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৭:২১
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৪ (অভয়নগর-বাঘারপাড়া উপজেলা ও বসুন্দিয়া ইউনিয়ন) আসনে অংশ নিয়েছিলেন আট জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে ৬ জন প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারী অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ঘোষিত প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফল পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
জামানত হারানোদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক মন্ত্রী এম নাজিম উদ্দিন আল আজাদ (স্বতন্ত্র), তার প্রাপ্ত ভোট ৭৯০। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বায়েজিদ হোসাইন, তার প্রাপ্ত ভোট ১১ হাজার ৭ শ ৬৪। খেলাফত মজলিসের মাওলানা আশেক এলাহী, তার প্রাপ্ত ভোট ২৯৬। গণ অধিকার পরিষদের মো. আবুল কালাম গাজী, তার প্রাপ্ত ভোট ২৫৩। জাতীয় পার্টির (এরশাদ) মো. জহুরুল হক, তার প্রাপ্ত ভোট ১ হাজার ৭২০। এবং বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির প্রধান সুকৃতি কুমার মণ্ডল, তার প্রাপ্ত ভোট ১ হাজার ৪৬৭।
অভয়নগর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. শেখ তানভির জামান জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আইন অনুযায়ী কোনো আসনের নির্বাচনের প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগের চেয়েও কম ভোট পেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের জামানত বাতিলের বিধান রয়েছে। সে ক্ষেত্রে যশোর-৪ আসনে ৬ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন।
প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফলে জানা গেছে, যশোর-৪ আসনে আওয়ামী লীগের দুর্গে এই প্রথম নির্বাচিত হয়ে দখল করলেন (অভয়নগর-বাঘারপাড়া উপজেলা ও বসুন্দিয়া ইউনিয়ন) জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক গোলাম রসুল। তিনি ১ লাখ ৭৪ হাজার ৬২১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিএনপির মতিয়ার রহমান ফারাজি পেয়েছেন ১ লাখ ৩১ হাজার ৪৯ ভোট। এ আসনে ৪ লাখ ৫৮ হাজার ৫২৯ ভোটারের মধ্যে মোট প্রদত্ত ভোট ৩ লাখ ২৭ হাজার ৯৪৩। বাতিলকৃত ভোট ৫ হাজার ৯৮৩। প্রদত্ত ভোটের শতকরা ৭২ দশমিক ৪২ ভোট প্রদান করা হয়েছে। এই আসনে জামানত বাঁচাতে প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট দরকার ছিল ৪০ হাজার ৯৯৩। কিন্তু তারা প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শেখ সালাউদ্দিন দিপু জানান, নিয়ম অনুযায়ী প্রার্থীরা প্রাপ্ত ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
