জয়পুরহাটে দুটি আসনে জামানত হারালেন ৪ প্রার্থী
জয়পুরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৮:৩৯
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়পুরহাটের দুটি সংসদীয় আসনে ভোটযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে এবি পার্টি, বাসদ, বাসদ (মার্কসবাদী) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলে ৪ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। জয়পুরহাট-১ (সদর ও পাঁচবিবি) আসনে ৩ জন এবং জয়পুরহাট-২ আসনে ১ জন প্রার্থী এই তালিকায় রয়েছেন। এই আসনগুলোতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন মোট ৮ জন প্রার্থী। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত ফলাফল সিট বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
গত বৃহস্পতিবার রাতে এই নির্বাচনে দায়িত্বরত রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আল মামুন মিয়ার বেসরকারি ভাবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ভোটের ফলাফল এবং বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়পুরহাটের দুটি আসনের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, জয়পুরহাট-১ (সদর ও পাঁচবিবি) আসনে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ৩ লাখ ৪১ হাজার ৫৫৬টি। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ (মার্কসবাদী) প্রার্থী ও বাংলাদেশ নারীমুক্তি কেন্দ্রের অর্থ সম্পাদক তৌফিকা দেওয়ান ওরফে লিজা কাঁচি প্রতীকে পেয়েছেন ৬১৭টি ভোট, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদের প্রার্থী অধ্যক্ষ ওয়াজেদ পারভেজ মই প্রতীকে পেয়েছেন ৫৭৮ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেকুন নাহার ওরফে শিখা ঘোড়া প্রতীকে ১৩ হাজার ২৮৬ ভোট পেয়েছেন। তারা তিন জনেই জামানত হারিয়েছেন। এই আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮৭৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও জেলা আমির ফজলুর রহমান সাঈদ। তার নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাসুদ রানা প্রধান পেয়েছেন ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮৩৫ ভোট। প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৭৩ দশমিক ২৫ শতাংশ।
জয়পুরহাট-২ (কালাই-ক্ষেতলাল-আক্কেলপুর) আসনে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৫৮ হাজার ১৬০। এর মধ্যে ঈগল প্রতীকে ১ হাজার ৫৫৫টি ভোট পেয়ে জামানত হারান আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) দলের প্রার্থী এস এ জাহিদ। আসনটিতে ১ লাখ ৫৭ হাজার ১২৭ ভোট পেয়ে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও সাবেক সচিব আব্দুল বারী বিজয়ী হয়েছেন। তার নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীক জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এসএম রাশেদুল আলম ওরুফে সবুজ পেয়েছেন ৯১ হাজার ১১২ ভোট। প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৭৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) পরিপত্র অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। সেই আলোকে এই দুই আসনে মোট চারজন প্রার্থীর জামানত হারালেন।
