ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে বোধনের বসন্ত বন্দনা

চট্টগ্রামে বোধনের বসন্ত বন্দনা
×

নগরের পাহাড়তলীর শহীদ ওয়াসিম পার্কে উৎসবের বসন্ত উৎসব। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম ব্যুরো 

প্রকাশ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৯:২০ | আপডেট: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৯:২১

পাতাঝরা পলাশ আর শিমুলের ডালে ডালে যে রঙ লেগেছে, তাকে বরণ করতে চট্টগ্রামে ‘বোধন আবৃত্তি পরিষদ’ বসন্ত উৎসব আয়োজন করে। গতকাল শনিবার পহেলা ফাগুন চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলীর শহীদ ওয়াসিম পার্কে উৎসবের আঙিনায় ছিল সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি, ঢোলবাদন, কথামালা, শোভাযাত্রা, যন্ত্রসংগীতের মোহনীয় পরিবেশনা উপভোগ করেছে সাধারণ মানুষ। সকাল ৯টায় ভায়োলিনিস্ট চিটাগাং’র যন্ত্রসংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বসন্ত উৎসব। বসন্তের হাওয়ায় দলীয় নৃত্যে অংশ নেন নৃত্যরূপ, সুরাঙ্গন বিদ্যাপীঠ, দ্যা স্কুল অব ক্লাসিক্যাল অ্যান্ড ফোক ডান্স, নৃত্য নিকেতন, মাধুরী ডান্স অ্যাকাডেমির শিল্পীরা।

গানে গানে দলীয় সংগীতে বসন্তকে স্বাগত জানান সুর পঞ্চম, আরকে মিউজিক, বাগেশ্বরী। একক গান পরিবেশন করেন কেশব জীপসী, ঋষু তালুকদার, চন্দ্রিমা ভৌমিক রাত্রি, কান্তা দে, সুমিতা সরকার, রিনা দাশ, মনি আচার্য্য। তবলা লহড়ায় ছিলেন উঠান সংগীত বিদ্যালয়। একক আবৃত্তি করেন কংকন দাশ, মিশফাক রাসেল, দেবাশীষ রুদ্র। ঢোলবাদনে ছিলেন দীপক ও তার দল। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যভাগে হয় বসন্তকথন পর্ব। এতে অংশ নেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, বোধনের সহ-সভাপতি সুবর্ণা চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল সোহেল, অর্থ সম্পাদক অনুপম শীল। 

মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও শোষণহীন সমাজ গঠনের জন্য বাঙালির এসব উৎসব-পার্বণগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, সারা বছরের নানান বঞ্চনা, নানান টানাপোড়েনের গ্লানি মুছে যায় এই বসন্তে। এই ফাগুনেই রক্তে রঞ্জিত হয়েছে বাংলার রাজপথ। বুকের রক্তে বাঙালি রক্ষা করেছে মাতৃভাষার মর্যাদা। পরে একক ও দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করেন বোধন আবৃত্তি পরিষদের আবৃত্তিশিল্পীরা। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন গৌতম চৌধুরী, পলি ঘোষ, শ্রেয়সী স্রোতস্বীনি, ঋত্বিকা নন্দী, পল্লব গুপ্ত। অনুষ্ঠান শেষে বসন্ত বরণে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা নগরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

আরও পড়ুন

×