ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

সিকৃবিতে সাদা দলে বিভক্তি উপাচার্যের বিরুদ্ধে অবস্থান

সিকৃবিতে সাদা দলে বিভক্তি উপাচার্যের বিরুদ্ধে অবস্থান
×

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসির বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে গতকাল সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সামনে মানববন্ধন করেন শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সমকাল

 সিলেট ব্যুরো

প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৮:১৬

| প্রিন্ট সংস্করণ

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি ও পরে নিয়োগসহ বিভিন্ন ইস্যুতে বিভক্তি দেখা দিয়েছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) বিএনপিপন্থি সাদা দলের শিক্ষকদের মধ্যে। শিক্ষকদের একটি অংশ উপাচার্য ড. আলিমুল ইসলামের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে রয়েছে শিক্ষকদের অপর পক্ষ। 
গত রোববার উপাচার্যের অফিসে দুই পক্ষ শিক্ষকের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনার পর সোমবার ক্যাম্পাসে মানববন্ধন করেন সাদা দলের শিক্ষকরা। শিক্ষকদের ওপর হামলা ও উপাচার্যের অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে তারা এ মানববন্ধন করেন।

টিএসসির সামনে সাদা দলের সভাপতি কাজী মেহতাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন সাদা দলের সাধারণ সম্পাদক শাহানা বেগম, সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ছিদ্দিকুল ইসলাম, অধ্যাপক এমদাদুল হক, অধ্যাপক আতাউর রহমান, অধ্যাপক কাওসার হোসেন, অধ্যাপক নাজমুল হক, অধ্যাপক ইউসুফ মিয়া, অধ্যাপক নাসরিন সুলতানা প্রমুখ। 
শিক্ষক নেতারা জানান, রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে তারা দেখা করতে গেলে উপাচার্য ও তাঁর পক্ষের শিক্ষক কর্মকর্তারা তাদের ওপর হামলা করেন। তারা অভিযোগ করেন, উপাচার্য নিয়োগের পর থেকে বিশেষ গোষ্ঠীর কাছে জিম্মি হয়ে পড়েন। তাদের মাধ্যমে ও পরামর্শে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করে আসছেন। নির্বাচনের সময় উপাচার্য দিনে ও রাতে বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে নিয়োগ কার্যক্রম চালিয়েছেন। পদোন্নতিতে অনিয়মসহ ইউজিসির নিয়ম মানা হচ্ছে না বলে দাবি করেন আন্দোলনকারী শিক্ষক নেতারা।   

এদিকে ক্যাম্পাসে শিক্ষকদের একটি অংশ মানববন্ধন করলেও নিজ অফিসে ছিলেন সিকৃবির উপাচার্য মো. আলিমুল ইসলাম। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে সাদা দলের শিক্ষকদের মধ্যে ভাগ হয়ে গেছে। এক পক্ষে আটজন, অপরপক্ষে ১২-১৪ জন রয়েছেন। অন্তর্বর্তী সময়ে নিয়োগ হয়েছে এ কারণে সময় শেষ দাবি করে এক পক্ষ তাঁকে চলে যেতে বলছে। কিন্তু চাইলেই তো চলে যাওয়া যায় না। তাঁকে চার বছরের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো অনিয়মের মাধ্যমে কাউকে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এটাকে ইস্যু করে অপপ্রচার করা হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, তিনি ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বিএনপিপন্থি শিক্ষক সমিতির সহসভাপতি ছিলেন। অথচ শিক্ষকদের একটি পক্ষ এখন তাঁকে বলছে, তিনি নাকি অন্য বলয়ের লোক। 

আরও পড়ুন

×