ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

স্বাধীনতার পর প্রথম মন্ত্রী উচ্ছ্বাস সখীপুর-বাসাইলে

স্বাধীনতার পর প্রথম মন্ত্রী উচ্ছ্বাস সখীপুর-বাসাইলে
×

আহমেদ আযম খান

সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি 

প্রকাশ: ১৩ মার্চ ২০২৬ | ০৮:২০

| প্রিন্ট সংস্করণ

স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো মন্ত্রী পেল টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসন। গতকাল বৃহস্পতিবার এ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ আযম খানকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় সখীপুর ও বাসাইলের জনসাধারণের মাঝে খুশির জোয়ার বইছে। দুই উপজেলার বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গতকাল বিকেলে আনন্দ মিছিল বের করেন। 

সখীপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সিকদার মোহাম্মদ ছবুর রেজা বলেন, আমরা সখীপুর-বাসাইলবাসী গর্বিত যে, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর এই প্রথম একজন মন্ত্রী পেলাম। আহমেদ আযম খানের হাত ধরে আমাদের সখীপুরের আঁটিয়া বন অধ্যাদেশসহ জমির জটিলতা নিরসন হবে বলে প্রত্যাশা করি।
বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সাবেক ভিপি ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এনামুল করীম অটল বলেন, আমরা গর্বিত ও আনন্দিত যে, বাসাইল উপজেলার সন্তান আহমেদ আযম খানকে মন্ত্রী হিসেবে পেলাম। আমাদের মনের আশা পূর্ণ হয়েছে। 
সখীপুর উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজিম উদ্দিন মাস্টার বলেন, এই আসন থেকে এত বছরেও কেউ মন্ত্রী হননি। এই অঞ্চলের মানুষের দাবি ছিল, আমাদের প্রিয় নেতা আহমেদ আযম খান যেন পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান। সখীপুর-বাসাইলের মানুষের প্রত্যাশা আজ পূরণ হয়েছে।
উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি ও আহ্বায়কের দায়িত্বও পালন করেছেন। ১৯৯১ সালে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হয়েছিলেন এই আসনের সাবেক এমপি হুমায়ূন খান পন্নী। 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও আহমেদ আযম খানকে অভিনন্দন জানিয়ে সখীপুরে আনন্দ মিছিল করে বিএনপি। পরে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজিম উদ্দিন মাস্টার, সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলম, মীর আবুল হাসেম আজাদ, আসাদুজ্জামান বাবুল প্রমুখ।

আরও পড়ুন

×