ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

বাগেরহাটে ১৪ প্রাণহানি 

দুর্ঘটনাস্থলে এখনও পড়ে আছে জুতা, শিশুর চুষনি, টুকরো কাচ

দুর্ঘটনাস্থলে এখনও পড়ে আছে জুতা, শিশুর চুষনি, টুকরো কাচ
×

দুর্ঘটনাস্থলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে জুতা, শিশুর ফিডার, টুকরো কাচ

বাগেরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৩ মার্চ ২০২৬ | ১৫:২৭ | আপডেট: ১৩ মার্চ ২০২৬ | ১৬:২৭

পায়ের জুতা পড়ে আছে ছড়িয়ে ছিটিয়ে। চারিদিকে অসংখ্য কাচের টুকরো। পড়ে আছে শিশুর চুষনি। খুলনা-মোংলা মহাসড়কের বেলাইব্রিজ এলাকায় দুর্ঘটনাস্থলে শুক্রবার সকালে দেখা যায় এমন চিত্র। গন্তব্য থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে ঘটে দুর্ঘটনাটি।

দুর্ঘটনায় নিহত ১৪ জনের মধ্যে চারজনই শিশু। তাদের মধ্যে দুই শিশুর বয়স দুই বছরের নিচে। মারা গেছেন তাদের মায়েরাও। বৃহস্পতিবার বিকেলে নৌবাহিনীর স্টাফ বাসের সাথে  মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থলের কাছেই রফিকুল ইসলাম নামের বাড়ি। তিনি বলেন, জীবনে এত বড় দুর্ঘটনা দেখি নাই। মাঠে গরু রেখে ঘরে ফিরছি মাত্র। হঠাৎ বিকট শব্দ। গিয়ে দেখি দুই গাড়ির সংঘর্ষ। রক্ত আর মৃত মানুষ। শুধু রফিকুল নয়, স্থানীয় অনেকই ঘটনাস্থলে গিয়ে সমবেদনা প্রকাশ করছেন।

সকালে হাঁটতে হাঁটতে শিশু সন্তানকে সাথে নিয়ে দুর্ঘটনাস্থলে আসেন শান্তি রানী বিশ্বাস। তিনি বলেন, রাতে খবরে দেখেছি, কী ভয়াবহ দুর্ঘটনা। তাই দেখতে এলাম। কেবল উৎসুক মানুষই নয়, সড়কের চলাচলকারী যানবাহনের চালকদেরও গাড়ি থামিয়ে দাঁড়াতে দেখা যায়। অবশ্য রাতেই ওই স্থান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি।

কাটাখালি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাফর আহমেদ বলেন, পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নিহত ১৪ জনের মধ্যে মোংলায় ৯টি, কয়রায় ৪টি মরদেহ নেওয়া হয়েছে। আর রামপালে নেওয়া হয়েছে মাইক্রোবাস চালকের মরদেহ। এখন শেষ বিদায়ের অপেক্ষায় স্বজনরা।

আরও পড়ুন

×