যমুনায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ছয় কোটি টাকার সরঞ্জাম জব্দ
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৮ এপ্রিল ২০২৬ | ০৮:১৫ | আপডেট: ০৮ এপ্রিল ২০২৬ | ১১:৪৬
| প্রিন্ট সংস্করণ
মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার যমুনা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে চারটি ড্রেজার, দুটি বাল্কহেড জব্দ এবং ২০ জনকে আটক করেছে কোস্টগার্ড। গতকাল মঙ্গলবার কোস্টগার্ড সদস্য যমুনা নদীতে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালনা করেন।
শিবালয় থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মানবেন্দ্র বালো জানান, কোস্টগার্ডের অভিযানে তেওতা যমুনা নদী থেকে ২০ জনকে আটক করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে চারজন অপ্রাপ্তবয়স্ককে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং একজন দর্শনার্থী হওয়ায় তাঁকেও মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বাকি আটক ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বুধবার (আজ) তাদের আদালতে পাঠানো হবে।
তিনি আরও জানান, অভিযানে জব্দ করা চারটি ড্রেজার ও দুটি বাল্কহেড পাটুরিয়া নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। জব্দকৃত এসব সরঞ্জামের বাজার মূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা।
স্থানীয়রা জানান, সরকারিভাবে তেওতা বালুমহালের ইজারা থাকলেও সীমানার বাইরে গিয়ে প্রতিনিয়ত বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। অবৈধভাবে যমুনায় বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে গত ৩ এপ্রিল তেওতা বালুমহালের ম্যানেজার মিরাজকে প্রতিপক্ষের লোকজন গুলি করে হত্যা করে।
একাধিক সূত্রে জানায়, বর্তমানে শিবালয় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান লিটনের লোকজন অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে। গতকাল যাদের বালু উত্তোলনের কারণে আটক করা হয়েছে তাদের সবাই মিজানুর রহমানের লোকজন বলে জানা গেছে।
এ ব্যাপারে শিবালয় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান লিটন বলেন, জীবনে কখনও বালু ব্যবসা করিনি। যারা যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে তাদের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি আরও বলেন, সুনাম ক্ষুণ্ন করার জন্যই তারা এ ঘটনার সঙ্গে আমার নাম জড়িয়েছে।
- বিষয় :
- বালু উত্তোলন
- যমুনা
- ড্রেজার
- মানিকগঞ্জ
- কোস্টগার্ড
