নববর্ষে জন্ম নেয়া শিশুর নাম রাখা হবে বৈশাখী
মাদারীপুরে পহেলা বৈশাখে জন্ম নেওয়া নবজাতক
ফরিদ উদ্দিন মুপ্তি, মাদারীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৬ | ১৮:৪৬
তৃতীয়বারের মতো বাবা-মা হলেন বাদল খান ও শান্তা ইসলাম দম্পতি। মঙ্গলবার পহেলা বৈশাখের দুপুরে মাদারীপুর শহরের আচমত আলী খান হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে এই দম্পতির তৃতীয় সন্তান মেয়ের জন্ম হয়। এই দম্পতির এর আগে এক পুত্র ও এক কন্যা রয়েছে। নববর্ষের দিনে কন্যা সন্তান জন্ম নেওয়ায় আনন্দিত তারা।
নবজাতকের বাবা বাদল খান ঢাকায় কাঁচা মালের ব্যবসা করেন । বাদল-শান্তা দম্পতির বড় ছেলে আরিয়ান খান (১৮) মাদারীপুর সরকারি কলেজে অনার্স ১ম বর্ষের ছাত্র। দ্বিতীয় সন্তান আয়াত খান (১০) নতুন শহর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণিতে পড়ালেখা করে। মাদারীপুর শহরের স্টেডিয়ামের পেছনে নিজ বাসায় থাকে পরিবারটি।
নবজাতকের স্বজনরা জানায়, পহেলা বৈশাখে জন্ম নেয়ায় কন্যার নাম বৈশাখী রাখার চিন্তা করছেন তারা। নবজাতকের মামা এস এম রাকিব জানান, মঙ্গলবার সকালে তার বোন শান্তা ইসলামে প্রসব বেদনা শুরু হয়। সকালে শহরের আচমত আলী খান হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। দুপুরে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে কন্যা সন্তান প্রসব করেন শান্তা। তার আগের দুই সন্তানও অপারেশনের মাধ্যমে জন্ম নেয় । তিনি আরও জানান, ডাক্তার ও নার্সদের তত্ত্বাবধানে কোন ধরনের জটিলতা ছাড়াই সুস্থ স্বাভাবিকভাবে নতুন বছরের শুরুর দিন জন্ম নেয় শিশুটি।
নবজাতকের খালা কাজল আক্তার জানান, তিনি বোনের সন্তানদের খুব ভালোবাসেন, নতুন সন্তানটিকেও তারা আগের দুজনের মতোই আদর স্নেহ দিয়ে লালন পালন করে বড় করে তুলবেন। নববর্ষের দিনে বোনের সন্তান জন্ম নেয়াতে তাদের মধ্যে অন্যরকম একটা আনন্দ কাজ করছে।
হাসপাতালের ওটি ইনচার্জ রাজিব হোসেন মোল্লা জানান, শহরের অন্যতম বিশেষায়িত এই হাসপাতালে ডা.মাহবুবা সুলতানার তত্ত্বাবধানে সিজারিয়ান অপারেশন হয়। বাচ্চা ও মা দুজনেই সুস্থ আছে। যত্ন সহকারে তাদের চিকিৎসা হয়েছে। তার মতে, নববর্ষের দিনে যারা জন্ম নিয়েছে তারা ভাগ্যবান, তাদের সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানান তিনি।
প্রসূতির চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা ডা. মাহবুবা সুলতানা বলেন, দুপুরে শান্তা ইসলাম কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। দুজনেই সুস্থ আছে। মা ও শিশু সম্পূর্ণ সুস্থ ও সুরক্ষিত থাক সেই প্রত্যাশা রাখি।
- বিষয় :
- প্রজন্মবরন ১৪৩৩
