মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে নাগরিক সমাজ ও মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা
মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শুক্রবার কমপ্লেক্স পরিদর্শনে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা সমকাল
মেহেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৮ এপ্রিল ২০২৬ | ০৮:২৫
| প্রিন্ট সংস্করণ
ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে মেহেরপুরের মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ঢাকাস্থ নাগরিক সমাজ ও মুক্তিযোদ্ধারা। গতকাল শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মুজিবনগর পৌঁছে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। পরে স্মৃতিসৌধের বেদিতে এক মিনিট নীরবতা পালন শেষে পুরো কমপ্লেক্স ঘুরে দেখে প্রতিনিধি দলটি।
১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর আম্রকাননে শপথ গ্রহণ করে বাংলাদেশের প্রথম সরকার। সেই ঐতিহাসিক ঘটনা স্মরণে প্রতিবছর ১৭ এপ্রিল ‘মুজিবনগর দিবস’ হিসেবে উদযাপিত হয়ে আসছে। তবে চলতি বছর সরকারি কোনো কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়নি। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা না থাকায় এ বছর প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কর্মসূচি পালন করা হয়নি।
নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি দলের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও লেখক আবু সাঈদ খান বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ঘোষণা হচ্ছে ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ’। মুজিবনগর মুক্তিযু্ক্ত স্মৃতি কমপ্লেক্স একটি ঐতিহাসিক অধ্যায়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় একদল বিপথগামী মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিতে আঘাত করেছে। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ধ্বংস করেছে। ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে মুজিবনগরের যে ক্ষতি হয়েছে, তা দ্রুত মেরামতের দাবি তাঁর।
মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেওয়ার সময় এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা, সিপিবির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, বাসদের সহসাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন, নাগরিক উদ্যোগের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মিনহাজুল হক চৌধুরী, মানবাধিকার কর্মী দীপায়ন খীসা ও রফিক আহমেদ সিরাজী উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকাল ৯টার দিকে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তানদের উদ্যোগে মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আহসান আলী খান, ক্যাপ্টেন (অব.) আব্দুল মালেক, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কমান্ডের মুজিবনগর উপজেলা সভাপতি মোখলেছুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক খাইরুল ইসলাম।
- বিষয় :
- মুজিবনগর দিবস
