চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি
দেশের স্বার্থ রক্ষা না হলে উন্মুক্ত টেন্ডারেও যেতে পারি: নৌমন্ত্রী
নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৬ | ২১:৫৬
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দেওয়া প্রসঙ্গে নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, ‘আমরা দ্রুত সিদ্ধান্তে যাওয়ার জন্যই কাজ করছি। মুক্ত টেন্ডার, জি টু জি, পিপিপি সব প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়া। কোনো প্রস্তাব যখন যে প্রক্রিয়ায় আসে, প্রথমে সেই প্রক্রিয়ার সঙ্গেই বার্গেনিং (দর কষাকষি) করতে হয়। সেই প্রক্রিয়া যদি আমাদের স্বার্থ রক্ষা না করে, তাহলে আমরা উন্মুক্ত টেন্ডার প্রক্রিয়ায়ও যেতে পারি। এটার সিদ্ধান্ত অবশ্যই দ্রুত নেওয়া হবে। দেশের স্বার্থ রক্ষা হবে এমন সিদ্ধান্তই নেবে সরকার।’
চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন শেষে আজ রোববার এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ‘ডিপি ওয়ার্ল্ডের প্রস্তাবনায় ইতিবাচক সম্ভাবনা আছে। আবার ইতিবাচক সম্ভাবনা যেখানে থাকে, সেখানে কিছু ছোটখাটো প্রতিবন্ধকতাও তৈরি হয়। একটি পরিবর্তন যখন আপনি আনবেন, নিশ্চয় কিছু ক্ষতি মেনে নিতে হয়। আবার কিছু অ্যাচিভ (অর্জন) করারও সুযোগ হয়। আমরা পুঙ্খানুপুঙ্খ রূপে বিশ্লেষণ করছি। শ্রমিকরা আন্দোলন করছিলেন। তাদের কিছু ন্যায্যতা আছে। সেটা তারা নিশ্চিত হতে চান। তাদের এ দাবিও আমরা আমলে নিয়েছি।’
মন্ত্রী বলেন, যারা বিনিয়োগ করবে তাদের কিছু অধিকার রয়েছে। সেখানেও একটি প্রতিযোগিতা আছে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে। ভিয়েতনাম, শ্রীলংকা ও ভারত সুবিধা দিয়ে আবার তারা সুবিধা নিচ্ছেও। আমাদেরও কোনো কোনো জায়গায় একটু উদার হতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত সরকার। জনরায়ের ভিত্তিতে আছি। জনগণের স্বার্থ রক্ষা এবং জনগণের কাছে জবাবদিহি করা আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার। সরকার দ্রুত এনসিটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে।’
চট্টগ্রাম বন্দরে বিদেশি বিনিয়োগ আসা প্রসঙ্গে নৌমন্ত্রী বলেন, ‘লালদিয়া, বে-টার্মিনাল, পতেঙ্গা টার্মিনাল করে নিশ্চয় আমাদের ক্যাপাসিটি (সক্ষমতা) বাড়াচ্ছি। এর প্রয়োজনও রয়েছে। আমাদের ৪০ শতাংশ খালি কনটেইনার যাচ্ছে দেশের বাইরে। তার মানে রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ আছে।’
অনিয়ম-দুর্নীতির ব্যাপারে জিরো টলারেন্স দেখাবে মন্ত্রণালয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
- বিষয় :
- চট্টগ্রাম বন্দর
- জিটুজি
- টেন্ডার
